নুরুন্নবী বাবু (দিনাজপুর২৪.কম) র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিএসসি, রেলওয়ে কলোনী ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল গত ৮ আগষ্ট বিকালে রাজশাহী মহানগরীর পুঠিয়া থানার বানেশ্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী চক্রের সদস্য মোছাঃ কেয়া (১৮),পিতা-মোঃ দুলু মহলদার, সাং-মিয়াপুর,থানা-চারঘাট,জেলা-রাজশাহী এবং মোঃ আমিনুল ইসলাম (২৮), পিতা-মোঃ হারেছ আলী, সাং-পশ্চিম বুধপাড়া,থানা-মতিহার,জেলা-রাজশাহীদ্বয়’কে গ্রেফতার করেছে এবং তাদের জিম্মা থেকে ১৯ মাস বয়সের অপহৃত শিশু সাকিব’কে জীবিত উদ্ধার করেছে।
র‌্যাব-৫,রাজশাহীর সহকারী পরিচালক জানান,অপহৃত ভিকটিম সাকিবের বাবা ঝুট ব্যবসায়ী মোঃ মজিবুর রহমান গত ১ মাস পূর্বে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন মৌচাক এলাকায় ভাড়া বাসায় স¦-পরিবারে বসবাস শুরু করে। গত ৩ মাস আগে হতে অপহরণকারী চক্রের মূল হোতা মোঃ সাইফুল ইসলাম বুলবুল (২৪), পিতা-মোঃ হারেছ আলী, সাং-পশ্চিম বুধপাড়া, থানা-মতিহার, জেলা-রাজশাহী এবং তার কথিত স্ত্রী মোছাঃ কেয়া (১৮),পিতা-মোঃ দুলু মহলদার, সাং-মিয়াপুর, থানা-চারঘাট, জেলা-রাজশাহী ঐ একই এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে ও অপহরণের ছক আঁকতে থাকে। ভিকটিম এবং অপহরণকারী চক্রের বাসা পাশাপাশি হওয়ায় অপহরণকারীরা শিশু সাকিবকে বিভিন্নভাবে হেয় করত। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ আগষ্ট দুপুরে অপহরণকারী বুলবুল ভিকটিমের মাকে বলে যে,ভাবী সাকিবকে আমার কাছে দেন আমি ছাদ থেকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসি একপর্যায়ে সাকিবের মা বুলবুলের কাছে সাকিবকে রেখে ঘরে প্রবেশ করে এবং ঘর থেকে বাহির হয়ে তাদেরকে দেখতে না পেয়ে আশেপাশে খোঁজাখুজি করতে থাকে। পরবর্তীতে বিকাল ৪টার সময় বুলবুল ফোন করে জানায় যে,চিন্তা করবেন না সাকিব আমাদের কাছে আছে এবং ভাল আছে।পরে অপহরণকারীরা ৮আগষ্ট সকাল ১০টায় ভিকটিমের বাবার কাছে ফোন করে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবী করে এবং শিশুটিকে হত্যার হুমকি দেয়।এর পরই ভিকটিমের বাবা কালিয়াকৈর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে এবং র‌্যাব-১,উত্তরাতে লিখিত অভিযোগ করে।অভিযোগের পর ভিকটিমকে জীবিত উদ্ধার ও আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতা চালাতে থাকে।জানা যায়,অপহরণকারী দল রাজশাহী জেলার পুঠিয়া থানার বানেশ্বর এলাকায় অবস্থান করছে।তাদের অবস্থান সুনিশ্চিত হয়ে ৮ আগষ্ট দুপুর ২টায় র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিএসসি,রেলওয়ে কলোনী ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল লেঃ কর্ণেল মোঃ মাহাবুব আলম এর নেতৃত্বে সুকৌশলে অভিযান চালিয়ে অপহরণকারীদ¦য়কে গ্রেফতার করেন এবং তাদের জিম্মা থেকে ১৯ মাস বয়সের অপহৃত শিশু সাকিব’কে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন।