(দিনাজপুর২৪.কম) আগের তিন মৌসুমে দুইবার ফাইনালে দেখা হয় তাদের। দুইবারই নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের শিরোপা জেতে রিয়াল মাদ্রিদ। আর এবার তাদের দেখা হয়ে যায়, সেমিফাইনালে। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সামনে সুযোগ ছিল প্রতিশোধ নেয়ার। কিন্তু ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রথম লেগে তারা পেলো বড় লজ্জা। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হ্যাটট্রিকে ডুবলো দিয়েগো সিমিওনের দল। লস ব্লাঙ্কোসরা ৩-০ গোলে জিতে ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখলো। এতে সর্বশেষ চার মৌসুমে তৃতীয় ফাইনালে ওঠার সুযোগ তাদের সামনে। ১১ মে ফিরতি লেগে সেটা চূড়ান্ত নিশ্চিত হবে। এই হারে দিয়েগো সিমিওনের অধীনে আরেকটি বড় লজ্জা পেলো অ্যাটলেটিকো। চ্যাম্পিয়ন্স লীগে এটি তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল ব্যবধানের হার। তাদের আগের লজ্জাটিও ছিল রিয়ালের বিপক্ষে। ২০১৪ সালের ফাইনালে অ্যাটলেটিকো তাদের নগরপ্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে হারে ৪-১ গোলে।
এবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ম্যাচের দশম মিনিটে স্বাগতিক রিয়াল মাদ্রিদকে এগিয়ে দেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৭৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার পর ৮৬ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন পর্তুগিজ এ উইঙ্গার। এতে নকআউটপর্বে টানা দুই হ্যাটট্রিক করলেন রোনালদো। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে জার্মানির ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষেও তিনি হ্যাটট্রিক করেন। শেষ আটে বায়ার্নের বিপক্ষে দুই লেগে তিনি করেন ৫ গোল। আর সেমিফাইনালে করলেন হ্যাটট্রিক। এতে সর্বশেষ তিন ম্যাচে তিনি করলেন ৮ গোল। এদিন অ্যাটলেটিকোর ফরোয়ার্ডরা পাত্তাই পায়নি। পুরো ম্যাচে তাদের খেলোয়াড়রা রিয়ালের গোলমুখে অনটার্গেটে মাত্র এক শট নিতে পারে। বল দখলের লড়াইয়েও পিছিয়ে ছিল তারা। এদিন তারা মাত্র ৩৮ শতাংশ বল দখলে রাখতে পারে। অন্যদিকে ৬২ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে প্রতিপক্ষের গোলমুখে ১৭ শট নিয়ে ৭টিই অনটার্গেটে করেন রিয়ালের খেলোয়াড়রা। এরমধ্যে রোনালদোর তিনটি শট লক্ষ্যভেদ করে। -ডেস্ক