(দিনাজপুর২৪.কম) রেল দেখাচ্ছে খেল। দিনাজপুর রেলওয়ে টিকিট এখনও শুধু কালোবাজীদের হাতে নয় খোদ টিকিট কালোবাজারিদের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন কিছু রেলওয়ে কর্মচারী ও কর্তাবাবুরা। গেল পবিত্র ঈদ উল ফিতরও মানুষের ভোগান্তির শেষ ছিল না। ২/৩ দিন ধরে লাইনে দাঁড়িয়েও টিকিট পায়নি সাধারণ মানুষ। ৪ থেকে ৫টি টিকিট দেওয়ার পর কাউন্টার থেকে ঘোষণা দেয়া হয় টিকিট নাই। আবার টিকিট আছে তো সিট নাই। এদিকে জনসাধারণ ফুলে-ফেপে উঠলেও জিআরপি পুলিশ মামা ডান্ডা মেরে তাদের ঠান্ডা করে দেয়। জিআরপি পুলিশ এএসআই জরিফুল সাথে ঈদের কয়েকদিন আগেও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনায় জরিফুলকে সৈয়দপুর রেলওয়ে এসআরপি অফিস প্রত্যাহার করা হয়।
পবিত্র রমযান মাস থেকে লক্ষ করা গেছে টুল বাহিনী। এই টুল বাহিনী কারা স্টেশন সুপারেন্টডেন্ট (এসএস) গোলাম মোস্তফা তার কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। টুলবাহিনী প্রতিদিনই টিকিট কেনে। তারা কতবার ঢাকা যায় কেউ বলতে পারে না। ডিজিটাল ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় যেন মরিচা ধরেছে। স্টেশন সুপারেন্টডেন্ট (এসএস) গোলাম মোস্তফা যেন জেগে থেকে ঘুমোচ্ছেন। সূত্র মতে স্টেশন প্লাটফর্মে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও গত ১ মাস ধরে জনসাধারণের মোবাইল ফোন ছিনতাই ও হারিয়েছে প্রায় ১৬টি। উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অভিযোগ দিয়েও একটিও মোবাইল ফেরত পায়নি মানুষ। আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে স্টেশন প্লাটফর্মে। প্রকাশ্যে ছিনতাই হলেও কর্তৃপক্ষ কেন নীরব বিষয়টি নিয়ে সুধী মহল প্রশ্ন তুলেছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ টিকিট কাউন্টারে টিকিট বিক্রির সময় রেল পুলিশ থাকার কথা থাকলেও এখন পুলিশ মামা থাকে না।
সরেজমিনে দেখা গেছে জনসাধারণ টিকিট কাউন্টারে টিকিট কাটতে না গিয়ে দ্বিতীয়তলায় টিকিটের জন্য ছুটছেন। কারও হাতে ব্যান্ডসন ও গোল্ডলিফের প্যাকেট আবার কারও হাতে খাম। দেখা গেলো কম্পিউটার অপারেটর জাকিরকে তারা সেগুলো দিচ্ছে। কারণ হিসেবে জানা গেলো সিগারেটের প্যাকেট খাম পেলেই কম্পিউটার অপারেটর জাকির উপর থেকে কম্পিউটার টিকিট ছাড়েন নিজতলার কাউন্টারে। কখনও কখনও টাকা কম পেলে কিংবা এসএস গোলাম মোস্তফার নির্দেশ ছাড়া টিকিট দেন না জাকির হোসেন। এতে প্রতিয়মান হয় যে, এসএস গোলাম মোস্তফা ও কম্পিউটার অপারেটর জাকির সম্বনয় করে জনসাধারণকে টিকিট দেন। এটা কতটা আইন সম্মত প্রশ্ন সুধীজনের ? (আগামীকাল পড়ুন টিকিট কালোবাজারিদের কাহিনী-২ চোখ রাখুন দিনাজপুর২৪.কম)- এ