(দিনাজপুর২৪.কম) ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা হবে আগামী ১০ অক্টোবর। এ রায়কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতার চেষ্টা হলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশে ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে এসব কথা বলেছেন তিনি। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেডহামলার ঘটনা ঘটে। এতে দলের কেন্দ্রীয় মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন মারা যান। অল্পের জন্য বেঁচে যান তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গ্রেনেড হামলা চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যার মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৫২ আসামির সাজা হবে কি না- সেই সিদ্ধান্ত জানা যাবে আগামী ১০ অক্টোবর।

এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয় ১৭ সেপ্টেম্বর আর মঙ্গলবার আইনগত বিষয়ের ওপর সংক্ষিপ্ত যুক্তি উপস্থাপন করেন- আসামিপক্ষের আইনজীবী এসএম শাহজাহান। এরপরই এই মামলায় রায়ের জন্য দিন ঠিক করেন ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন। একইসঙ্গে এ মামলার সব আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বাংলাদেশে ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে আয়োজনে ছবি আঁকার প্রতিযোগিতা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিটিটিসি ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী ১০ অক্টোবর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা করবে আদালত। এই রায়কে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করা হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে।’

মনিরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আসন্ন দূর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোনও হামলার আশঙ্কা নেই। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নিরাপদে তাদের উৎসব পালন করতে পারেন সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

জাতীয় নির্বাচনে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হুমকি আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বদ্ধ পরিকর। এরপরও কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাইবার ক্রাইমকে হুমকি হিসেবে দেখছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। নির্বাচনের সময় একটি চক্র অনলাইনে গুজব রটাতে পারে। এজন্য পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট সজাগ রয়েছে।’

নির্বাচনে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হুমকি আছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে বদ্ধপরিকর। এরপরও কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।-ডেস্ক