(দিনাজপুর২৪.কম) রাজকোষ চুরির ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সঙ্কটের মিটমাট করবে না ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি)। তাদের মতে, দু’ বছর আগে এই অর্থ চুরি চাওয়ার জন্য দায়ী বাংলাদেশই। আরসিবিসির প্রেসিডেন্ট গিল বিউনাভেনটুরা এ কথা বলেছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এবিএস-সিবিএন নিউজ। এতে তিনি দাবি করেছেন ফিলিপাইনের ১০ম বৃহত্তম ব্যাংকটিকে ভিকটিমে পরিণত করা হয়েছে। কারণ, অজ্ঞাত হ্যাকাররা নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ অর্থ স্থানান্তর করে আরসিবিসির একাউন্টে। এই অর্থ সেখান থেকে চলে যায় বিভিন্ন ক্যাসিনোতে। তার মধ্য থেকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ উদ্ধার করতে পেয়েছে কমপক্ষে এক কোটি ৫০ লাখ ডলার। গিল বিউনাভেনটুরা বলেন, অবশ্যই আমরা তাদের (বাংলাদেশ) সঙ্গে এ বিষয়ে সঙ্কট মিটমাট করতে চাই না। আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, আমরা তাদেরকে কোনো অর্থ দেয়ার বিষয়ে মীমাংসায় যেতে চাই না। আমাদেরকে ভিকটিম বানানো হয়েছে। তার মতে, এমন চুরির বিষয়ে যদি মামলা বা অভিযোগ করা হয় তাহলে তা অনুসন্ধান বা সে বিষয়ে কাজ করতে প্রস্তুত আরসিবিসি। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করা হয় নি। ওদিকে ফিলিপাইনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ২০১৬ সালের শুরুর দিকের ওই রাজকোষ কেলেঙ্কারিতে আরসিবিসিকে রেকর্ড ১০০ কোটি পেসো জরিমানা করেন। তখন ব্যাংকটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন লরেঞ্জো তান। তিনি তখন পদত্যাগ করেন। তার পদে বসানো হয় গিল বিউনাভেনটুরাক। তিনি বলেছেন, এ বছর বার্ষিক খরচের তালিকায় আরসিবিসি রেখেছে ২০০ কোটি পেসো। তার মধ্যে শতকরা ২৫ ভাগই খরচ করা হবে নিরাপত্তা প্রযুক্তি বিষয়ে। -ডেস্ক