(দিনাজপুর২৪.কম)রাঙামাটি নাসিং ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী (নার্স) মাহামুদা খাতুনের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিক্ষোভ শুরু করছে তার সহকর্মীরা। বুধবার এঘটানায় সকাল-সন্ধ্যা কর্মবিরতি পালন করে রাঙামাটি নাসিং ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষার্থীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ হয়ে রাঙামাটি হাসপাতালে ভর্তি হয় নাসিং ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী (নার্স) মাহামুদা খাতুন।   তাকে প্রথমে রাঙামটি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু তার অবস্থার আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানেও তাকে বাঁচানো গেলোনা। বুধবার ভোরে মাহামুদাকে মৃত্যু ঘটে। পরে তার মরদেহ রাঙামাটি নাসিং ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হলে ক্ষোভ পেটে পরে সহকর্মীরা। অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে পুরো রাঙামাটি সদর হাসপাতালে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাঙামাটি সদর হাসপাতালে কর্মবিরতী পালন করে  নার্সিং প্রশিক্ষণরত শিক্ষার্থীরা।
এদিকে উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের শান্তি করতে এগিয়ে আসে রাঙামাটি জেলা সিভিল সার্জন শহীদ তালুকদার। তিনি বলেন, আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের করা হবে। তার জন্য সময়ের প্রয়োজন। অভিযোগের বিষয় ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি এ বিষয়ে আগামী ১৩ মে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের কথা জানান।
অন্যদিকে, হঠাৎ রাঙামাটি সদর হাসপাতালে নার্সদের কর্মবিরতির কারণে রোগীদের দুর্ভোগ বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন হাসপাতালের স্টাফ নার্সরা।
রাঙামাটি হাসপাতালের ষ্টাফ নার্স ফারভীন আক্তার জানান, রাঙামাটি সদর হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার কারণে মাহামুদা খাতুনের মৃত্যুও অভিযোগে নাসিং প্রশিক্ষার্থীরা কর্মবিরতী পালন করছে। একই সাথে রাঙামাটি নার্সিং ইনস্টিটিউটে ও হাসপাতালে বিরাজমান নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে নার্সদের জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে বলে দাবি করেন তারা।
রাঙামাটি নার্সিং ইনস্টিটিউটে মাহামুদা খাতুনের মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তার সহকর্মীরা। হাসপাতাল মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে মাহমুদার মরদেহ নিজ যাওয়া হয় তার গ্রামের বাড়ি গাজীপুরে। -ডেস্ক