(দিনাজপুর২৪.কম) আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় খুলনা টাইগার্স ও রাজশাহী রয়ালসের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে পর্দা নামছে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের। কিন্তু বিপিএলের বিশেষ এই আসরে শিরোপাজয়ী দলের জন্য থাকছে না কোনো প্রাইজমানি!

১ মাসের টানা পরিশ্রম, সাতটি দলের অংশগ্রহণ। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সেরা দুইয়ের ফাইনাল, অথচ বিজয়ী দলের জন্য থাকছে না কোন প্রাইজমানি! ইংল্যান্ড থেকে শেষ মুহুর্তে আনা একটি ট্রফি দিয়েই পর্দা নামছে টুর্নামেন্টের। আর রানার্স আপ দল পাবেনা তাও।

বিপিএলের সপ্তম আসরে চ্যাম্পিয়ন দলকে শুধু ট্রফি নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। আগের ছয় আসরেই ট্রফির পাশাপাশি প্রাইজমানি ছিল। এবার থাকছে শুধু ট্রফি। আর রানার্সআপ দল বিপিএল শেষ করবে শূন্য হাতে ।

দলগুলোর পরিচালনাভার বিসিবির হাতেই ছিল বলে প্রাইজমানি দেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে । যদিও ফ্র্যাঞ্চাইগুলোর অবর্তমানে প্রতিটি দলেরই ছিল স্পনসর । কিন্তু বিপিএলের দলগুলোকে বিসিবি নিজেদের দল দাবি করে প্রাইজমানি দিচ্ছে না।

আসলেএবারের বিপিএল যেহেতু হবে ভিন্নভাবে, সে কারণে প্রাইজমানি রাখা হয়নি। এমন তথ্য জানিয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী, ‘বিপিএলে সবগুলো দলই তো বিসিবির মালিকানাধীন। বাইরে থেকে কেবল স্পন্সর যুক্ত করা হয়েছে। সব দল বিসিবির হওয়ার কারণে প্রাইজমানি রাখার সুযোগটাই ছিল না।’

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ট্রফি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ২০ লাখ টাকা। এটি তৈরি করেছে ইংল্যান্ডের ‘ইংকারম্যান’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান, যেটি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ট্রফি তৈরি করে। আজকের বিজয়ী দলের হাতে উঠবে সুদৃশ্য সোনালি ট্রফি। কিন্তু এরপর ট্রফির গন্তব্য কোথায়? ট্রফি জয়ের পর এটি নিয়ে উল্লাস করা যাবে এমনকী টিম হোটেলেও নেওয়া যাবে। কিন্তু এরপর ফেরত দিতে হবে বিসিবিকে। যেহেতু বঙ্গবন্ধুর নামের বিশেষ বিপিএল, তাই ট্রফিটি বিসিবি কার্যালয় কিংবা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্থায়ীভাবে রাখা হবে। -ডেস্ক