(দিনাজপুর টোয়েন্টিফোর ডটকম) ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কিছু পণ্যের দাম কমানো এবং অনেক পণ্যের দাম বাড়ানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা থেকে জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

দাম কমবে

স্বর্ণ, সব ধরনের লুব্রিকেন্ট, পাদুকা শিল্পের টেক্সটাইল ফেব্রিক্স। কৃষি যন্ত্রপাতির মধ্যে ট্রাক্টরের টায়ার-টিউব-গিয়ার বক্স। বিলাসি পণ্যের মধ্যে  রেফ্রিজারেটর ও এসির কম্প্রেসার।

নিত্যপণ্যের মধ্যে মধ্যে চিনি, রসুন, ডিটারজেন্ট, স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়াপার। এ ছাড়া পোল্ট্রি খাদ্য, প্লাস্টিক পণ্য, এমএস রড।

দাম বাড়বে

বিড়ি, সিগারেট, জর্দা অর্থাৎ তামাকজাত পণ্যের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ছাড়া চার্টাড বিমান ও হেলিকপ্টার, মোবাইল ফোনের দাম, ব্যক্তিগত গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ফি, মোবাইল ইন্টারনেট সেবা ও কথা বলার খরচ।

এছাড়া তৈরি পোশাক খাতে উৎস কর ৫ শতাংশ, গ্রিন পোশাক কারখানার কর হার ১০ শতাংশ, অন্যদের ১২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে, যা ২০২২ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি ১,৮৯,৯৯৭ কোটি টাকা। মোট আয় ধরা হয়েছে ৩,৮২,০১৬ কোটি টাকা। মোট রাজস্ব ৩,৭৮,০০৩ কোটি টাকা। আর এডিবি নির্ধারণ করা হয়েছে ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা। বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে ৮.২০ শতাংশ এবং মুদ্রাস্ফীতি ৫.৪ শতাংশ।

প্রস্তাবিত বাজেটের এ আকার চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি। টাকার অংকে যা ৬৬ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা বেশি। চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের জন্য পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে সংশোধিত বাজেটে এর আকার দাঁড়ায় ৫ লাখ ১ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা।