আরাফাত ইসলাম নয়ন যশোর (দিনাজপুর২৪.কম) যশোরের বেনাপোল পোস্ট অফিসের সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ভোগীরা প্রতিদিন হয়রানির শিকার হচ্ছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা বয়স্করা পড়ছে বিপাকে।পোস্ট অফিস কতৃপক্ষ তাদের মুনাফার টাকা না দিয়ে দিনের পর দিন বসিয়ে রাখার অভিযোগ রয়েছে। তারা বলেছে ক্যাশে টাকা নেই। যশোর পোস্ট অফিস থেকে টাকা আসলে টাকা দেওয়া হবে। কিন্তু যশোর পোস্ট অফিস থেকে সঠিক সময়ে টাকা না আসার কারণে তাদের এই ভোগান্তি। অনেক সঞ্চয়পত্রের মালিক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মুনাফার টাকা নিতে এসে নানা ভাবে হয়রানি শিকার হচ্ছে। মুনাফা দেওয়ার তারিখ শেষ হলেও পোস্ট অফিস কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাত দেখাচ্ছে মুকুল হোসেন নামে একজন সঞ্চয়পত্রের মালিক জানান যে আজ তিনদিন ধরে আসছি এবং ফিরে যাচ্ছি কিন্তু টাকা দিচ্ছেনা। বিশেষ কারণে গ্রাম অঞ্চল থেকে আসা বয়স্করা পড়ছে বিপাকে তাছাড়া যাদের সাথে বাচ্চা আছে তাদের ভোগান্তির শেষ নেই।                      বেনাপোল পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার শেখ জুলফিকার আলী, জানান এ পোস্ট অফিসে পেনশন সঞ্চয়পত্র  আছে ১০৬ জনের ৩ মাস অন্তর মুনাফা ভোগীদের সংখ্যা  ২ হাজার ৫শত ৬২ জন পরিবারের সঞ্চয় পত্র আছে ১ হাজার ১শত ৭৭ জনের। যার প্রতিদিন মুনাফা দিতে হয় ১০ লাখ টাকা।কিন্তু আমার এ অফিসে মুনাফা দেওয়ার ক্ষমতা আছে ২ লাখ টাকা। বিধায় প্রতিদিন যশোর পোষ্ট অফিসের প্রধান কার্য্যালয় থেকে টাকা নিয়ে এসে এসব মুনাফা দিতে হয়। এজন্য সমস্য সৃষ্টি হচ্ছে। তাছাড়া যশোরে টাকা চাইলেই তারা টাকা পাঠায় না। সময় লেগে যায় টাকা আসতে।এ সময় কয়েকজন উপস্থিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিতে আসা মালিক জানান আমাদের সঞ্চয় পত্রের মেয়াদ এবার শেষ হলে আমরা আর পোষ্ট অফিসে টাকা রাখবো না। অন্য পথ খুঁজবো। এ ব্যাপারে সচেতন মহল পোষ্ট অফিসের উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।