(দিনাজপুর২৪.কম) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের যেন পুনরাবৃত্তি ঘটছে ফ্রান্সে। সেখানেও শক্তিশালী প্রার্থী এমানুয়েল ম্যাক্রনের প্রচারণা শিবিরের বিপুল পরিমাণ ইমেইল হ্যাক করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে অনলাইনে। সেই একইভাবে এক্ষেত্রেও উঠে এসেছে রাশিয়ার নাম। বলা হয়েছে, একে ম্যাক্রনের প্রচারণা শিবির বিশাল আকারের ও সমন্বিত হ্যাকিং বলে আখ্যায়িত করেছে। তারা বলেছে, এতে যেসব ইমেইল রয়েছে তার কিছুটা খাঁটি বা সত্যি আর কিছু আছে বানোয়াট। ওদিকে তথ্য ফাঁস করে দেয়ার ক্ষেত্রে সাড়া জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকস বলেছে, ম্যাক্রনের ফাইল ফাঁস যথার্থই কিনা তারা তা যাচাই করে দেখছে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এতে বলা হয়েছে, এমানুয়েল ম্যাক্রন শিবিরের যে ইমেইল হ্যাক করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে তার পরিমাণ ৯ গিগাবাইট। এতে রয়েছে হাজার হাজার ফাইল। ফটোগ্রাফ। এটাচমেন্ট। ইমেইল। তা পোস্ট করা হয়েছে পেস্টবিন নামের একটি অনলাইনে। এ ফাইলের নাম দেয়া হয়েছে এমলিকস (ঊগখঊঅকঝ) । জাপানের এন্টিভাইরাস বিষয়ক একটি প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা বলেছেন, ফ্রান্সে মধ্য পন্থি এই প্রার্থী রাশিয়ান হ্যাকারদের আক্রমণের শিকার হয়েছেন। রোববার ফ্রান্সে দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত দফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উদার, মধ্যপন্থি এমানুয়েল ম্যাক্রন ও উগ্রপন্থি ম্যারিন লা পেন। ভোট শুরুর ঠিক দেড় দিন আগে ম্যাক্রন এই হ্যাকিংয়ের শিকার হলেন। তবে তার প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়বে তা এখনই বোঝা যাচ্ছে না। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে বলা হয়, নির্বাচনে নবাগত এমানুয়েল ম্যাক্রন বেশি জনপ্রিয়। তা সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছেন ম্যারিন লা পেন। নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ হওয়ার ঠিক কয়েক ঘন্টা আগে ইমেইল ফাঁস হওয়ার কথা ছড়িয়ে পড়ে। ফলে এর প্রতিবাদে কোন সমাবেশ করার অনুমতি নেই এখন আর। প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞার আওতায় প্রার্থীদেরকে রোববার স্থানীয় সময় রাত ৮টায় নির্বাচনের শেষ ভোটগ্রহণ কেন্দ্র বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বাসভবনে অবস্থান করতে হবে। যেহেতু আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা বন্ধ হয়ে গেছে তাই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয় নি ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একজন মুখপাত্র বলেছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় অথবা অন্য কোনো মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করবে না। কারণ আইনে তা মানা আছে। -ডেস্ক