মো. নূর ইসলাম নয়ন, চীফ রিপোর্টার (দিনাজপুর২৪.কম) মৌলভীবাজারের জঙ্গি আস্তনায় নিহত ৭ জন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের লোকমান আলীর স্ত্রী,পুত্র সহ ৫ সন্তান বলে অনুমান করছে শশুর বাড়ী একই উপজেলার কলাবাড়ী গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিক। গত বৃহস্পতিবার পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিজানের সময় মৌলভিবাজারের সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের জঙ্গি আস্তানায় ৭ জঙ্গি আত্মহননকারী লাশ উদ্ধর করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লোকমান আলীর শশুর আবুবক্কর ছিদ্দিক বলেন বুধবার রাতে একটি অচেনা নম্বর থেকে কল আসে। মেয়ে বলে আমাকে ক্ষমা করে দিবে, আমাদের সাথে আর কোনদিন দেখা হবে না। কিয়ামতের দিনে দেখা হবে বলে ফোন কেটে দেন। কল ধরলেই কন্ঠে পাওয়া যায় আবুবক্করের নাতনী মোছাঃ আমেনা খাতুন যাকে লেকমান আলী ২ মাস আগে বিয়ে দিয়েছেন বগুড়ায়। ফোনে দু একটি কথা বলার পর কান্নায় ভেঙ্গে পরে। তিনি আর কথা বলেন নি। পরে ফোনটি তার মা মোছাঃ সিরিনা আক্তার কে দেন। সিরিনা আক্তার তার বাবা আবুবক্করের সাথে ৩০ মিনিট ধরে কথা বলেন। এলাকাবাসী জানান, কয়েক বছর আগে ঢাকায় চাকরী করতে গিয়াছে। এলাকায় তাকে অনেক দিন থেকে দেখা হয়নী। তার শ্বশুর আবুবক্কর ছিদ্দিক জানান, জামাই মেয়েদের সঙ্গে ৩ বছর থেকে কোন যোগাযোগ নেই। এ ব্যাপারে আবুবক্কর ছিদ্দিক বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদে বুঝতে পারে আত্মহননকারী ৭ জন একই পরিবারের তার মেয়ে জামায় ও নাতনীরা। ডাঙ্গা গ্রামের নুর হোসেন, আবাদুর রশিদ,ময়নুল ইসলাম জানান, দির্ঘ ১০/১২ বছর থেকে আমাদের গ্রামে তাকে আর দেখা যানী। জঙ্গি লোকমান আলীর পিতা নুরুল ইসলাম জানান, আমার সঙ্গে দীর্ঘ ১০/১২ বছর থেকে যোগাযোগ নেই, আমি অসুস্থ বুড়ো মানুষ আমার ছেলে মেয়ে কেউ নেই আমি লাশ নিতে পারব না। এব্যাপারে ঘোড়াঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ ইসরাইল হোসেন জানান, জঙ্গি লোকমানের বাবা ও শ্বশুর আবুবক্কর ছিদ্দিক লাশ নিবে না বলে জানান। আত্মহনকারীরা হলো – লোকমান হোসেন(৪৫) তারস্ত্রী মোছাঃ সিরিনা আকতার (৩০),বড় কন্যা মোছাঃ আমেনা খাতুন(২১), সুমাইয়া (১২), মরিয়ম (১০), ফাতেমা (৭), খাতিজা (৭সাত মাসের),