(দিনাজপুর২৪.কম) মেহেরপুর সদর উপজেলার নুরপুর  গ্রামের মাঠে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৪ জন নিহত হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার সময় নুরপুর গ্রামের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সোনাপুর গ্রামের সাদ্দাম আলী-(২৬),রমেশ-(২৫), কাকন-(২৬) ও-সোহাগ (২৭)। নিহতরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলার আসামি বলে পুলিশের দাবি। এ ঘটনায় মেহেরপুর সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ পুলিশের ৭জন সদস্য আহত হয়েছেন বলেও পুলিশ দাবি করেছে।

মেহেরপুর (অতিরিক্ত) পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদজানান, রাত আড়াইটার সময় পুলিশের একটি দল নুরপুর এলাকায় টহলে যাচ্ছিল। এ সময় সন্ত্রাসীরা সামনে পড়ে যায়। পুলিশের ওই দলটি সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করলে সন্ত্রাসীরা গুলি ছুঁড়তে থাকে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়তে থাকে। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ৪ সন্ত্রাসীকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে  নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আহত সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ পুলিশের ৭ পুলিশ সদস্যকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

মেহেরপুর পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান জানান, গত ৫ মার্চ রাতে মেহেরপুর সদর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলাম ও আব্দুল মজিদকে গ্রামের একটি চায়ের দোকান থেকে জনসম্মুখে তুলে নিয়ে যায়। ওই রাতে সন্ত্রাসীরা তাদের পরিবারের কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে রাতেই গ্রামের মাঠে গলাকেট হত্যা করা হয়। বন্ধুকযুদ্ধে নিহতরা আসাদুল ও আব্দুল মজিদ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত। -ডেস্ক