(দিনাজপুর২৪.কম) বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলায় বিএনপির সভা পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ। এ সভায় প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান। পুলিশের হুমকিতে সভাটি হতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের আলিমাবাদ বাজারে ঈদ পূর্নমিলনী সভা এবং বিএনপির পুরাতন সদস্যদের নবায়ন ও নতুন সদস্য সংগ্রহের কর্মসূচী পুলিশ পন্ড করে দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার জন্য বাধ্যতামুলক চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে নেতা কর্মীরা অভিযোগ করেন। অপর দিকে মুলাদী ইউনিয়ন বিএনপি দলীয় কার্যলয় ও ছবিপুর ইউনিয়ন ভাংচুর করা হয়েছে বলে বিএনপি থেকে অভিযোগ হয়েছে। তবে ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান জানান কোন বিএনপি কার্যলয়ের ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি। পুর্ব অনুমতি না থাকায় সভা করতে দেয়া না হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বুধবার সকাল দশটায় কেন্দ্রীয় বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের আলিমাবাদ বাজারে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে ঈদ পূনর্মিলনী পরিচিত সভা এবং পুরাতন সদস্যদের নবায়ন ও নতুন সদস্যদের সংগ্রহ কর্মসূচী উদ্বোধন করতে গেলে মুলাদী থানার এস আই এম বেল্লাল কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিয়ে এসে সভা না করার জন্য নিষেধ করে। এসময় মুলাদী উপজেলার সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ. ছাত্তার খান পুলিশকে একটু সময় দেয়ার অনুরোধ করলেও তার কথার কর্ণপাত না করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার জন্য কঠোর হুমকি দেয়। এর পরে বেগম সেলিমা রহমান দলীয় সদস্যদের সমস্যার কথা চিন্তা করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। সভাটি পণ্ড হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ আগে মুলাদী উপজেলার ইউনিয়ন বিএনপি’র দলীয় কার্যলয় ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একদল দুবৃত্ত মুলাদী ও ছবিপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র কার্যলয় ব্যাপক ভাংচুর করে। এসময় বেশ কয়েকজন দলীয় নেতাকর্মীকে মারধরও করা হয় বলে দলীয় নেতৃবৃন্দের অভিযোগ। এ ব্যাপারে থানা ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, মুলাদী ও ছবিপুরে বিএনপির কোন অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেনি। তবে পুলিশের অনুমতি না নিয়ে সভা করায় জনগনকে নিরাপত্তা দিতে বাটামারা ইউনিয়নের সভা বন্ধ করে দেয়া হতে পারে। কিন্তু বিষয়টি আমার জানা নেই আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। তবে সকালের দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নে বিএনপি সভাপতি আনসার মাস্টারের মাস্টারের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমানের উপস্থিতিতে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। -ডেস্ক