(দিনাজপুর২৪.কম) সরকারি গোপন আইন লঙ্ঘন করে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রতিবেদন তৈরী করার দায়ে তাদেরকে সাত বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়। এ বিষয়ে এখন প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদক ওয়া লন (৩৩) ও কিয়াউ সোয়ি উ (২৯) সরকারি গোপন আইনের আওতায় ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই বন্দি রয়েছেন।

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর ব্যাপক নির্যাতন চলাকালে রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করায় তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সামরিক বাহিনীর ওই দমনপীড়নের কারণে প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার লোক বাধ্য হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়।

গত জানুয়ারিতে ইয়াঙ্গুন উচ্চ আদালত গত সেপ্টেম্বরে প্রাথমিক আদেশ বহাল রাখে।

মিয়ানমারের বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় এখন এ দুই সাংবাদিক সর্বোচ্চ আদালতের দু’জনের বেশি বিচারকের কাছে ফের তারা আপিল আবেদন করতে পারেন। তবে তারা এই সুযোগ গ্রহণ করবে কিনা তা জানা যায়নি।

খিন মং জাউ এএফপি’কে বলেন, ‘আমাদের আপিল আবেদন আদালত নাকচ করে দিয়েছে। তারা নিম্ন আদালতের আদেশ বহাল রেখেছে।’

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে ১০ রোহিঙ্গা মুসলিমকে হত্যার ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরী করার দায়ে এ দুই সাংবাদিককে শাস্তি দেয়া হয়।

আর এ প্রতিবেদনের জন্যই তারা পুলিৎজার পুরস্কার পান। পুলিৎজার হচ্ছে সাংবাদিকতায় সর্বোচ্চ পুরস্কারগুলোর অন্যতম। -ডেস্ক