(দিনাজপুর২৪.কম) ৬ মার্চ রাজধানীর কাফরুলে মায়ের বদলে গৃহকর্মী হিসেবে কাজে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয় ১৫ বছর বয়সী জনিয়া। ধর্ষনের পর তাকে তিন তলা থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করা হয় বলে
অভিযোগ পরিবার ও এলাকাবাসীর। এর প্রতিবাদে থানার সামনে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী।
স্বজনদের অভিযোগ ধর্ষণকারীর বাবা-মা প্রভাবশালী হওয়ায় হত্যাকান্ড ধামাচাপা দিতে নানা ধরনের নাটকের অবতারনা করছে । পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তৈরী হয়েছে ধু¤্রজাল,তারা বলেন থানায় হত্যা মামলা করতে চাইলেও থানা পুলিশ তা নেয়নি।ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পরিবর্তিত হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে মেয়েটির পরিবার সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।
মৃতের বাবা উছমান গনি ন্যায্য বিচার লাভের আশায় আজ বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার কার্র্যালয়ে আসেন। তিনি বলেন থানায় লাশের প্রাথমিক ময়নাতদন্তের সময়ও কোন নারী পুলিশকে দেখা যায়নি। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সহ অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদানের দাবী জানান । সেই সঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ,রাষ্ট্রপতি ও সকল মানবাধিকার সংঘঠনের কাছে এ বিষয়ে অতি দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আবেদন জানান। উল্লেখ্য দরিদ্র ও অসহায় জনিয়ার পরিবারকে ন্যায় বিচারের জন্য সকল প্রকার আইনি সহায়তা দেবে মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা। এ বিষযে দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের উপস্থিতিতে আগামী সোমবার দপুরে সংস্থার নিজস্ব মিলনায়তনে  এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করবে সংস্থাটি। -প্রেসরিলিজ