এম. আর. মিজান (দিনাজপুর২৪.কম) শহরতলী মাহুতপাড়া এলাকার নারী ইভটিজিংকারী ও অসামাজিক কাজে লিপ্ত উমর ফারুক জীবনের কঠোর শাস্তির দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী। গত ৮ আগস্ট একই এলাকার মৃত আব্দুর রউফের পুত্র মাহুতপাড়া জামে মসজিদের সভাপতি মোঃ আলী হোসেনকে মারপিট, তার মোটরসাইকেল ভাংচুর ও সাথে থাকা নগদ টাকা লুন্ঠনের ঘটনায় পুলিশ সন্ত্রাসী জীবনকে গ্রেফতার করে ভ্রাম্যমান আদালতে মাধ্যমে ৬ মাসের সাজা প্রদান করে দিনাজপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করে। এলাকাবাসীর আশংকা- জীবন খুব শীঘ্রই আইনের ফাঁক গলিয়ে বেরিয়ে এসে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করবে। কেননা ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বিভিন্ন মামলার নানা মেয়াদে সাজা হলেও বার বার জেলখানা থেকে বেরিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করে। বিগত ২০০৪ সালে ওই এলাকার মালুয়া হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে ৩২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যেই আইনের ফাঁকে জামিন নিয়ে জেল থেকে বেরিয়ে পড়ে অপরাধ জগতের জীবন। আবার শুরু করে তার অসামাজিক কাজ। ২০১৪ সালে নারী নির্যাতনের একটি মামলায় তাকে ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। কিন্তু বছর যেতে হয়নি, কিছু দিনের মাথায় আবার বেরিয়ে আসে পুরোনো কায়দায় চালিয়ে যায় তার মানবতা বিরোধী কার্যক্রম। এভাবে একের পর এক চুরি-ছিনতাই, মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা বীরদর্পে চালিয়ে যায় জীবন।
এলাকাবাসী তার কার্যক্রমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ায়  বুধবার সকালে এলজিইজি মোড়ে মাহুতপাড়া জামে মসজিদের কার্যকরী কমিটি ও এলাকাবাসী এক বৈঠকে মিলিত হয়। মসজিদ কমিটির সভাপতি আলী হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন এলাকার নির্বাচিত ইউপি সদস্য মকসেদুল মৌলভী, মোঃ জাহিদ কামাল সউদ, প্রফেসর হাসান আলী, ইঞ্জিনিয়ার সাইফুজ্জামান প্রমুখ। এলাকাবাসীর দাবী-তাকে সর্বোচ্চ শাস্তিতে দন্ডিত করে এলাকা ছাড়া করতে হবে। নচেৎ এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সবসময়ের জন্য বিঘিœত হবে। এলাকাবাসী আরো জানান, জেল থেকে বার বার মুক্তি ও তার অপকর্মে এলাকার কিছু মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবী তাকে সহায়তা করে। এ ছাড়া পুরো এলাকা সন্ত্রাসী জীবনের হাত থেকে মুক্তি চায়।