(দিনাজপুর২৪.কম) ভালোবাসার সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় একই দড়িতে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন প্রেমিক-প্রেমিকা। ভারতের বীরভূমের লাভপুর থানার ভরতপুর গ্রামের এ ঘটনাটি ঘটেছে। সম্পর্কে তারা মামা-ভাগ্নি। গত সোমবার দুপুরের দিকে দুইজনের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয় বাড়ি থেকে অনতিদূরে একটি পুকুরের ধারে। তাদের নাম রিতা বাগদি(১৭) ও লালন বাগদি(২২)। ভরতপুর গ্রামেই রিতা ও লালনের বাড়ি। কলকাতার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করত লালন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছে, প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেবে না পরিবার, এই আশঙ্কা থেকে দুজনে আত্মহত্যা করে।

পরিবার সূত্রে খবর, দিন কয়েক আগে গাজন উৎসবের জন্য গ্রামে এসেছিল লালন। এদিকে রিতার বিয়ের দেখাশোনা চলছিল। ওদের দুই জনের মধ্যে যে ভালোবাসা ছিল তা জানত না তারা। ফলে মেলামেশায় কোনও সন্দেহ ছিল না। গতকাল সন্ধ্যায় তারা বাড়ি থেকে বের হয়। রাতে বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের লোকজন। কিন্তু তাদের পাওয়া যায়নি।

গত সোমবার ভরতপুর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি গাছের মধ্যে রিতা ও লালনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়। দেখা যায়, একটি গামছায় দুইজনে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে।

রিতার মা অপর্ণা বাগদি বলেন, “আমরা মেয়ের বিয়ের জন্য বিভিন্ন জায়গায় দেখাশোনা করছিলাম। কিন্তু ওরা দুজন দুজনকে যে ভালোবাসত তা জানতাম না।”

লালনের মা রীতা বাগদি বলেন, “ওরা যদি একবারও বলত তাহলে আমরা বিয়ে দিয়ে দিতাম। তাহলে ওদের মরতে হত না।” পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।-ডেস্ক