(দিনাজপুর২৪.কম) মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করেছিলেন নাথুরাম গডসেই। কোনও রহস্যজনক ব্যক্তির উপস্থিতি ছিল না ঘটনাস্থলে। সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া একটি মামলায় একথা স্পষ্ট করে  জানিয়ে দিয়েছেন আদালত বান্ধব (অ্যামিকাস কিউরি) অমরেন্দ্র শ্যারন। ফলে দেশের কোনও কোনও মহল থেকে গডসে’কে যেভাবে দায়মুক্ত করার চেষ্টা হচ্ছিল এবার তা বড় ধাক্কা খেয়েছে। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে বারে বারে বলার চেষ্টা হয়েছে যে, গান্ধীজির মৃত্যুর সঙ্গে শুধু নাথুরাম গডসে জড়িত ছিল না। বরং এক রহসময় ব্যক্তির উপস্থিতি ছিল।

এই দাবি নিয়ে পঙ্কজ ফড়ণবীশ নামে এক আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছিলেন। তার আরও দাবি, গান্ধীজির দেহে ৩টি নয় ৪টি বুলেটের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিল। ওই চতুর্থ গুলিতেই গান্ধীজির মৃত্যু হয়। তাই গান্ধী মৃত্যুর পুনরায় তদন্ত হওয়া উচিত। সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদনে আরও বলা হয়, গান্ধী হত্যার যে তদন্ত হয়েছিল তাতে বড়সড় বিষয় আড়াল করা হয়েছিল। ওই তদন্তে গান্ধী হত্যার দায় মারাঠিদের উপরে ও বিশেষ করে বীর সাভারকরের উপরে চাপিয়ে দেওয়া হয়। এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। তা উন্মোচন করা প্রয়োজন বলেও দাবি করা হয়। ফড়ণবীশের এই দাবির স্বপক্ষে কোনও যুক্তি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে বিশিষ্ট আইনজীবী অমরেন্দ্র শ্যারনকে নিয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার শ্যারন সুপ্রিম কোর্টকে জানান, গান্ধী হত্যার সঙ্গে নাথুরাম গডসে ছাড়া আর কোনও হামলাকারীর যোগাযোগ নেই। কোনও রহস্যময় ব্যক্তির উপস্থিতির কোনও প্রমাণ নেই। যে বুলেটটি গান্ধীজির দেহ ফুঁড়ে গিয়েছিল, যে পিস্তল থেকে গুলি ছোঁড়া হয়েছিল, গান্ধী হত্যার জন্য যে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল তা সবই চিহ্নিত করা গিয়েছে। ফলে এ নিয়ে নতুন করে কোনও তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে তিনি আদালতকে জানিয়েছেন। -ডেস্ক