(দিনাজপুর২৪.কম) দিল্লিতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে দিল্লিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। সংঘর্ষে উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে গুলিবিদ্ধসহ ২৫০ জন সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার বিকেলে দিল্লির অশোক নগরের একটি মসজিদে আগুন দেওয়া হয়। মসজিদ জ্বালিয়ে দিয়ে উগ্রবাদীরা “জয় শ্রী রাম” এবং “হিন্দু কা হিন্দুস্তান” শ্লোগন দিতে থাকে। এসময় কয়েকজন উগ্রবাদী মসজিদের মিনারে উঠে যায়। মসজিদের মাইক ভেঙ্গে ফেলে। তারপর মিনারের চূড়ায় চাঁদ-তারা খচিত ফলক উপড়ে ফেলে সেখানে হনুমান পতাকা টানিয়ে দেয়। অন্য একজন ভারতের পতাকা নিয়ে এসে মিনারে টানিয়ে দেয়।

মসজিদে অগ্নি সংযোগের পর আশেপাশের সব দোকানে লুটপাট চালানো হয় বলে স্থানীয়রা জানায়। তারা জানায়, লুটপাটকারীরা স্থানীয় ছিলেন না। কিছু মুসলিমদের পাশাপাশি সেখানে বেশিরভাগ হিন্দুদের বসবাস। সেখানে অগ্নি সংযোগকারীরা উপস্থিত থাকলেও পুলিশ তাদের দেখেনি বলে জানায়।

স্থানীয়রা আরো জানায়, পরে পুলিশ স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়কে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

পরিস্থিতি সামলাতে গোটা উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে আগামী এক মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে পুলিশ। দিল্লি-সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদেও ১৪৪ ধারা জারি হয়। নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয় গাজিয়াবাদ-দিল্লির সীমানায় যাতায়াতের উপর। টানা বন্ধ দু’দিন উত্তর-পূর্ব দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশন। দ্য ওয়্যার। -সূত্র : নয়াদিগন্ত