(দিনাজপুর২৪.কম) সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমার মন্ত্রিত্ব চলে গেলেও মহাসড়কে আর অটোরিকশা চলাচল করতে দেব না। মানুষকে বাচাঁনোর স্বার্থে আমি কাজ করছি। তিনি বলেন, ঈদে মানুষ নিরাপদে বাড়ি ফিরেছে। তবে বৃষ্টির জন্য একটু সমস্যা হয়েছে। ঈদের পরে কয়েকটি দুঘর্টনা ঘটেছে। এতে আমি মর্মাহত হয়েছি। তবে রাস্তা খারাপ ছিল না, এসব দুঘর্টনার জন্য চালকদের বেপরোয়া মনোভাব দায়ী। তিনি আরও বলেন, মহাসড়কে অটোরিকশা ও লেগুনায় বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুরপাল্লার রাস্তায় প্রতিটি যানবাহনে দুজন চালক রাখতে বলেছিলাম। যদি দুজন চালক থাকতো শরীয়তপুরে এমন দুঘর্টনা ঘটতো না। তিনি বলেন, মাত্র সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার হাইওয়েতে অটোরিকশা নিষিদ্ধ করেছি। জাতীয় মহাসড়কে এগুলো চলবে না। শহরে ও জেলাগুলোতে তো নিষিদ্ধ করিনি। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় চারলেনের কাজ পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, হাইওয়েতে অটোরিকশা চলাচল বন্ধ হওয়ার পর কোনো দুঘর্টনা ঘটেনি। আমাদের সিদ্ধান্তে জনগণ লাভবান হচ্ছে। পাশাপাশি অটোরিকশা চালকদের জীবনও বেচেঁ যাচ্ছে। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন এসব বন্ধ হওয়ায় জীবিকা বন্ধ হয়েছে। আগে জীবন পরে জীবিকা। মানবিকতা পরে আগে মানুষকে বাচাঁতে হবে। তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি আমি জাপানের টোকিওতে গিয়েছি। তাদের আরো দুটি মেট্রোরেলের বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছি। জাপানের সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। কুয়াকাটায় ফোরলেন নির্মাণের বিষয়ে কথা হয়েছে। ম্যানিলায় এডিপির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা হয়েছে। বাংলাদেশে আরো ব্রিজ, রাস্তা করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছি। তারা এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। -ডেস্ক