(দিনাজপুর২৪.কম) সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে দুই ব্যাংক কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন। এরা হলেন-এবি ব্যাংকের ইসলামপুর শাখার ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম খান এবং ইস্টার্ণ ব্যাংক মতিঝিল শাখার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার মতিউর রহমান।

আজ রবিবার ঢাকার ছয় নম্বর বিশেষ জজ ড. শেখ গোলাম মাহবুবের আদালতে এ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দেন।মতিউর রহমানকে সাক্ষ্য শেষ হলেও সাইফুল ইসলাম খানের হয়নি। সাইফুল ইসলামের জবানবন্দি শেষে আদালত আগামী ৪ মার্চ তার জেরা এবং অপর সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করে। শুনানিকালে মওদুদ আহমদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।মামলাটিতে এখন পর্যন্ত ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ৩ জুলাই ব্যারিস্টার মওদুদকে তার নিজের, স্ত্রীর ও পোষ্যদের নামে-বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ এবং তার উৎস জানাতে নোটিশ দেয় দুদক। সেই সময় অন্য মামলায় কারাগারে থাকাবস্থায় একই বছরের ২৩ জুলাই সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করেন মওদুদ। ওই হিসাব বিবরণী পর্যালোচনা করে দুদক অনুসন্ধান করে। ওই অনুসন্ধানে দুদক জানতে পারে মওদুদ আহমদ ৭ কোটি ৩৮ লাখ ৬৪ হাজার ২৮৭ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করাসহ চার কোটি ৪০ লাখ ৩৭ হাজার ৩৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।পরে ২০০৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক শরিফুল হক সিদ্দিকী বাদী হয়ে রাজধানীর গুলশান থানায় মওদুদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।২০০৮ সালের ১৪ মে মওদুদের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।-ডেস্ক