(দিনাজপুর২৪.কম) চলতি ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৮ মাসে ঢাকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট দক্ষিণ রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আহরণ করেছে। এ সময়ে ৩ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ শতাংশ বেশি। বিগত ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট দক্ষিণের রাজস্ব আয় ছিল ২ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা। এদিকে একক মাস হিসেবে ফেব্রুয়ারিতে রাজস্ব আহরণে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ভ্যাট কমিশনারেট দক্ষিণ। গত মাসে এলটিইউ ৪৩৬ কোটি টাকার রাজস্ব আয় করেছে। গতবছরের ফেব্রুয়ারিতে এর পরিমাণ ছিল ৩৫০ কোটি টাকা। সে ক্ষেত্রে একক মাস হিসেবে ফেব্রুয়ারিতে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রাজস্ব আয় বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট দক্ষিণের কমিশনার কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে বকেয়া রাজস্ব আদায় এবং চলতি অর্থবছর নতুন কয়েকটি খাত আমাদের কমিশনারেটে যুক্ত হওয়ায় এবার রাজস্ব আয় বেশ সন্তোষজনক। নিয়মিত পরিদর্শন ও অডিটের মাধ্যমে কর ফাঁকি রোধ করা হচ্ছে, যা রাজস্ব প্রবৃদ্ধিতে কার্যত ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, করযোগ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনেক প্রতিষ্ঠান এখনও করজালের বাইরে রয়ে গেছে। এসব ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানকে খুঁজে বের করে করজালে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা এ ধরনের ২ হাজার প্রতিষ্ঠান খুঁজে বের করজালের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি। যেখান থেকে রাজস্ব আয় আসতে শুরু করেছে। আগামীতে এই প্রচেষ্টা আরো জোরদার করা হবে বলে তিনি জানান।
এছাড়া নিয়মিত ভ্যাট প্রদানকারী অনেক প্রতিষ্ঠান সবক্ষেত্র অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির যেসব খাতের ওপর কর দেয়ার কথা, তার সবগুলো খাত থেকে ভ্যাট পাওয়া যাচ্ছে না।এসব প্রতিষ্ঠানের সব খাত থেকে রাজস্ব আদায়ের জন্য বিশেষ মনিটারিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে কমিশনার উল্লেখ করেন। এ ধরনের উদ্ভাবনী কৌশল রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে ভাল ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। চলতি অর্থবছর ঢাকা কাস্টমস,এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট দক্ষিণের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৬ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা।-ডেস্ক