নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম। ফাইল ছবি

(দিনাজপুর২৪.কম) নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেছেন, ভোট মানুষের পবিত্র আমানত- তা যেন কোনোভাবে খেয়ানত না হয়। নির্বাচনে অনিয়ম হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে এসে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে- তা নিশ্চিত করতে হবে।

এই প্রশিক্ষণ কোর্সে ফুলছড়ি উপজেলার ৪৬টি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসারসহ মোট ৯৭৮ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ নেন।কবিতা খানম বলেন, নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত আগামী ১৮ তারিখ যেন একটি সফল তারিখ হিসেবে চিহ্নিত হয়। কোনোভাবেই তাকে ব্যর্থ হিসেবে পর্যবসিত হতে দেয়া যাবে না। কোনো অনিয়ম হলে কোনোভাবেই তা মেনে নেয়া হবে না।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে কোনো মূল্যে সুশৃঙ্খল রাখতে হবে। যাতে ভোটারদের কোনো ক্ষতি না হয়।ইতি কবিতা খানম বলেন, ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে তার দায়িত্ব প্রিসাইডিং অফিসারের। তাকে স্বাধীনভাবে ভোটদানে সুযোগ করে দিতে হবে। কোনো কারণে পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে ভোট বন্ধ করে রিটার্নিং অফিসারকে জানাতে হবে। রিটার্নিং অফিসার প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ডিসি ও এসপিকে জানাবেন। নির্বাচন কমিশনকেও তা জানাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রিসাইডিং অফিসারসহ অন্যদের যে ক্ষমতা- তা কোনোভাবেই অপব্যবহার করা চলবে না। যদি কোনো ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃতভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন তাহলে তিনি আইনের আওতার বাইরে থাকবেন না বলেও হুশিয়ারি দেন এ নির্বাচন কমিশনার।-ডেস্ক