(দিনাজপুর২৪.কম) রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নিজের ভোটটি দিলেন না বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।সোমবার (৩০জুলাই) সকাল ৮টার দিকে নগরীর স্যাটেলাইট কেন্দ্রে তার ভোট দেওয়ার কথা ছিল। সোমবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আজ গণতন্ত্র বিপন্ন। আমি আমার ভোট দেইনি। যেখানে ভোটের মূল্য নেই, যেখানে রাষ্ট্রের কর্মচারীরা ভোট চুরির সাথে সম্পৃক্ত- সেখানে আমার ভোটের কোনো দাম নেই। এর আগেই ভোট দেবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন বুলবুল। তিনি বলেন, ‘এটা ভোট বর্জন নয়, প্রতিবাদ।’

এদিন (সোমবার) ভোট শুরুর আগেই বিএনপি’র পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ এনে বিনোদপুর ইসলামিয়া কলেজে অবস্থান নেন বিএনপি’র এই মেয়রপ্রার্থী। তিনি এই কেন্দ্রের ব্যালটের হিসাব চেয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘অনির্বাচিত’ উল্লেখ করে তাকে নিজের দিকে তাকানোর আহ্বান জানান বুলবুল।

তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্রের যারা কর্মচারী রয়েছে তারা আগামীকাল সকালে ডাইনিং টেবিলে ছেলে-মেয়েদের জিজ্ঞেস করবেন- আপনারা সঠিক কাজটি করেছেন কি না।

দুপুর দুইটা পর্যন্ত বুলবুল কলেজ মাঠে ঘাসের ওপর একাই বসে ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে বৃষ্টিও হয়েছে। তবে বৃষ্টি আর কাদার মধ্যে তিনি সেখানেই বসে ছিলেন।

তার সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট তোফাজ্জল হোসেন তপুসহ কয়েকজন নেতাকর্মী থাকলেও তারা একটি ঘরের বারান্দায় বসে ছিলেন।

বুলবুল গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন, তিনি কেন্দ্রটিতে গিয়ে দেখেন, মেয়র প্রার্থীদের কোনো ব্যালট নেই। তিনি আশঙ্কা করছেন, মেয়র পদের ব্যালট আগেই সিল মেরে রাখা হয়েছে। এর প্রতিবাদে তিনি মাটিতে ঘাসের ওপর বসে প্রতিবাদ শুরু করেন।

বুলবুল বলেন, ‘এ বিপন্ন গণতন্ত্রে আমি আমার ভোট পর্যন্ত দেই নাই। আমার পোলিং এজেন্টরা পর্যন্ত ভোট দেয় নাই।’

কতজন পোলিং এজেন্টকে বের করে দিয়েছে এমন প্রশ্ন- বিএনপির প্রার্থী বলেন, ‘সমগ্র রাজশাহীতে একই চিত্র। আমি কোনটার নাম বলব? -ডেস্ক