(দিনাজপুর২৪.কম) সব আইনজীবী সমিতিগুলোতে টাউট, দালাল, ভুয়া অ্যাডভোকেট ও আইনজীবী সহকারীদের মামলা রিসিভকরাসহ যাবতীয় দৌরাত্ম্য এবং তৎপরতা বন্ধে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নিতে বার কাউন্সিলে করা আবেদন ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নিয়ে বার কাউন্সিলের সচিবকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে এ আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনকারী আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভুঁইয়া নিজেই আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।
আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূইয়া বলেন, সব আইনজীবী সমিতিগুলোতে টাউট, দালাল, ভুয়া অ্যাডভোকেট ও আইনজীবী সহকারীদের মামলা রিসিভকরাসহ যাবতীয় দৌরাত্ম্য এবং তৎপরতা বন্ধে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নিতে বার কাউন্সিলে করা আবেদন ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নিয়ে বার কাউন্সিলের সচিবকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
গত ২রা ডিসেম্বর আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভুঁইয়া বার কাউন্সিল সচিবের কাছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিসহ দেশের সব আইনজীবী সমিতি, আইনাঙ্গনে টাউট, দালাল, ভুয়া আইনজীবী, ভুয়া আইনজীবী সহকারী, মধ্যস্থতাকারীদের দৌরাত্ম, তৎপরতা বন্ধ ও এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, দেশের সবগুলো আইনজীবী সমিতি এমনকি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে যারা মামলা রিসিভ করার জন্য অন্তর্ভুক্ত না, তারা বিচারপ্রার্থীদের কাছ থেকে মামলা রিসিভ করে তাদের হয়রানি করছে, তাদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এতে আইনজীবী সমিতি ও আইনজীবীদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হচ্ছে।

এমনকি তারা জাল, ভুয়া নথি তৈরি করে আদেশ, এমনকি রায়ও তৈরি করে দিচ্ছে। এর ফলে বিচার বিভাগের মর্যাদাও বিনষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। একজন আইনজীবী হিসেবে বিষয়গুলো আমি লক্ষ্য করেছি, এতে আমি ও আমরা উদ্বিগ্ন। তাই রিট আবেদনটি করেছিলাম সে আবেদনে বার কাউন্সিল সাড়া না দেয়ায় গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া। -ডেস্ক