(দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মওলা বক্্সী চৌধুরী বলেছেন ভিটামিন এ শুধু অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে তা নয়, শিশু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ডায়রিয়া ও জটিলতা কমায় এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে ভিটামিন এ-এর অভাব জনিত রাত কানা রোগের প্রাদুর্ভাব ১ শতাংশ’র নিচে কমিয়ে আনা এবং তা অব্যাহত রাখা। ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপুষ্টিজনিত মৃত্যু প্রতিরোধ করে। ৬-১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো এবং শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি সুষম খাদ্য দিতে হবে। আগামী ৫ আগস্ট জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন প্রথম রাউন্ড-এ দিনাজপুর জেলায় ৩ লাখ ২৬ হাজার ১শ ৪০ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
“ভিটামিন এ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান”-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ১ আগস্ট মঙ্গলবার জেনারেল হাসপাতাল কনফারেন্স রুমে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় পুষ্টি সেবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্বাস্থ্য ও পরিবার ও পরিল্পনা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এবং দিনাজপুর সিভিল সার্জন অফিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন প্রথম রাউন্ড বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় তিনি সভাপতির বক্তব্যে একথাগুলো বলেন। সঞ্চালকের এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল, উত্তরবাংলা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক জিনাত রহমান। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন সাংবাদিক কামরুল হুদা হেলাল, মোঃ সালাউদ্দিন আহাম্মেদ, কাশী কুমার দাস, আবু বক্কর সিদ্দিক, শাহিন হোসেন, মাহবুব খান, মোঃ ইদ্রিস আলী, জিন্নাত হোসেন, শামীম রেজা।
কর্মশালায় আয়োজকরা জানায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে দিনাজপুর জেলায় ২৭৫৩টি কেন্দ্র করা হয়েছে। মাঠ কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীর সংখ্যা ৫৫০৬ জন। প্রথম সারির তদারককারীর সংখ্যা ৪৩৩ জন।