(দিনাজপুর২৪.কম) ভারতজুড়ে দশটি ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ‘ভারত বন্ধ’ ধর্মঘটের আংশিক প্রভাব জনজীবনে দেখা গেছে। গত মধ্যরাত থেকে ২৪ ঘণ্টার এ ধর্মঘট শুরু হয়েছে। ধর্মঘটে পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা, হিমাচল প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, দিল্লী, মুম্বাই ও অন্যান্য নগরীর বিভিন্ন অংশে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

গত মাসে বার দফা দাবি নিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন ও সরকারের মধ্যে দুই দফা আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এ ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়। ট্রেড ইউনিয়নের দাবির মধ্যে রয়েছে-উচ্চমূল্য হ্রাসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, বেকারত্ব হ্রাস, মৌলিক শ্রম আইনের কঠোর প্রয়োগ, সকল শ্রমিকের জন্য সার্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান ও মাসিক মজুরি ১৫ হাজার রুপি নির্ধারণ।

কেরালা সরকার ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে ‘কাজ নেই, অর্থও নেই’ আদেশ জারি করেছে। আর ধর্মঘটে অংশ না নেয়া কর্মীদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর ও বিভাগীয় প্রধানদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কেরালা পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। হিমাচল রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের বেশিরভাগ বাস মধ্যরাত থেকে বন্ধ রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার বুধবার তাদের সকল অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ধর্মঘটের কারণে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের হাওড়া ও শিয়ালদহ বিভাগের রেল চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। রাজ্য সরকার বুধবার কর্মীদের ছুটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।(ডেস্ক)

এদিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী বান্দারু দত্তত্রেয়া দেশ ও শ্রমিকদের স্বার্থে ধর্মঘট পুনর্বিবেচনা করতে ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।