(দিনাজপুর২৪.কম) ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র উত্তেজনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্তে বিএসএফকে সতর্ক অবস্থায় রেখেছে ভারত। এক্ষেত্রে বিএসএফ এলার্ট জারি করেছে। ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে সব রকম প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ভারতীয় সরকারি বার্তা সংস্থা পিটিআইকে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএসএফের একজন কর্মকর্তা। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি। গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পালওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলায় ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনীর কমপক্ষে ৪০ সদস্য নিহত হন। ওই হামলার দায় স্বীকার করে পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠী জৈশ ই মোহাম্মদ। এ হামলায় পাকিস্তান জড়িত বলে অভিযোগ ভারতের।এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা চলছে। কাশ্মিরের আকাশসীমায় লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছে ভারত ও পাকিস্তান। এর প্রেক্ষিতে বিএসএফকে ওই সতর্কতা দেয়া হয়েছে। ওই কর্মকর্তা আরো বলেছেন, ভারত ও পাকিস্তান সীমান্তের উত্তেজনার সুযোগ নিতে যাতে কোনো দুর্বৃত্ত অথবা সন্ত্রাসী সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফকে সতর্ক রাখা হয়েছে।  উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে রয়েছে ২২১৬.৭ কিলোমিটার সীমান্ত। এর মধ্যে বেশির ভাগ এলাকায় সীমান্ত বেড়া নেই। বিএসএফের ওই কর্মকর্তা বলেছেন, সুন্দরবন সংলগ্ন নদীবেষ্টিত সীমান্ত এলাকায় প্রহরা বাড়ানো হয়েছে।

বুধবার ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই দাবি করেছে তারা পরস্পরের যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে। পাকিস্তান বলেছে, তারা ভারতীয় বিমান বাহিনীর একজন পাইলটকে আটক করেছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এবারই প্রথম ভারতীয় যুদ্ধবিমান পাকিস্তানের ভিতরে গিয়ে হামলা চালায় এবং তাদের পাইলট সেখানে আটকা পড়েন। এ অবস্থার কারণে বিশ্বশক্তিগুলো দুই পক্ষকেই বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দুই দেশই গত দু’দিনে বিমান হামলা চালানোর নির্দেশ দেয়। অন্যদিকে স্থল বাহিনীর মধ্যে এক ডজনের বেশি স্থানে গুলি বিনিময় হয়েছে। -ডেস্ক