(দিনাজপুর২৪.কম) ভারতের মধ্য প্রদেশে ভয়াবহ দুটি ট্রেন দুর্ঘটনায় ১০ নারী ও ৫ শিশুসহ কমপক্ষে ৩১ যাত্রী নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় কয়েকটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। মধ্যরাতের অল্প সময় আগে পৃথক দুর্ঘটনা দুটি ঘটে। মাচাক নদীর ওপর একটি ছোট রেল-সেতু অতিক্রম করার সময় কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়। ভারি বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় ফুলে-ফেঁপে ওঠা নদীতে বেশ কয়েক যাত্রীর ভেসে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন হিন্দুস্তান টাইমস। এদিকে পরপর দুটি ট্রেনের একই পরিণতির কারণ হিসেবে আকস্মিক বন্যাকে চিহ্নিত করছেন রেল কর্মকর্তারা। মুম্বই থেকে কামায়ানি এক্সপ্রেস ট্রেনটি উত্তর প্রদেশের বারানসির উদ্দেশে যাচ্ছিল। মধ্য প্রদেশের রাজধানী ভূপাল থেকে  ১৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হার্দা শহরতলির কাছে কুদওয়া অঞ্চলে লাইনচ্যুত হয় ট্রেনটি। এর কয়েক ঘণ্টা পর জনতা এক্সপ্রেস নামে অপর ট্রেনটি মুম্বই থেকে পাটনা যাওয়ার পথে একই স্থানে লাইনচ্যুত হয়। মাচাক নদীতে কয়েক যাত্রী ভেসে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা। হার্দা জেলার পাবলিক রিলেশন্স কর্মকর্তা ভিত্থাল মহেশ্বরী ১০ নারী ও ৫ শিশুসহ ৩১ যাত্রীর প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের ঘোষণায় নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ ও আহতদের পরিবারকে ৫০ হাজার রুপি অর্থ-সহযোগিতা দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এদিকে সাহায্য পাঠানোর জন্য বেশ কয়েকটি জরুরি হেল্প-লাইন খোলা হয়েছে এবং সেগুলোর নম্বর দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। -ডেস্ক