( দিনাজপুর ২৪.কম) দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে চন্দন কাঠের রমরমা ব্যবসা। আইন প্রয়োগ কারী সংস্থার এ দিকে কোন নজর নেই। দেশীয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সীমান্তের ওপার থেকে চোরা পথে কোটি কোটি টাকার চন্দন কাঠ চোরাকারবারীদের মাধ্যমে এনে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত চীনা কোম্পানীর কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করছে। আর এই চন্দন কাঠ সরবরাহ করছে কয়লা খনি ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি সিন্ডিকেট বাহিনী। তারা সীমান্তের ওপারে প্রভাব শালী চোরাকারবারীদের সাথে সক্ষতা গড়ে তুলে তাদের মাধ্যমে ঐ চন্দন কাঠ আনা হচ্ছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ঐ চক্রের হোতারা জানান। এদিকে খবর নিয়ে জানা গেছে চীনারা এই চন্দন কাঠ ক্রয় করে তারা চীনে পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে। সেখানে তাদের দেশে এই কাঠ দিয়ে বিভিন্ন প্রকার শোপিজ, অলঙ্কার, ফুলদানি, চাবির রিং ইত্যাদি তৈরি করছে। দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে এই চন্দন কাঠ ক্রয় করছে তারা। আরো জানা গেছে চন্দন কাঠ ক্রয় করে তাদের দেশে নিয়ে গিয়ে তাদের কোন লোকজন মারা গেলে চন্দন কাঠ দিয়ে পোড়ানোতে ব্যবহার করা হয়। বর্তমান বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রায় দেড় হাজার চীনা শ্রমিক ও কর্মচারী রয়েছে। তারা কোটি কোটি টাকার চন্দন কাঠ ক্রয় করে পাচার করছে। চীনা কর্মকর্তারা প্রশাসনিক দপ্তর থেকে নির্দিষ্ট স্থানে এসে সিন্ডিকেট দলের চোরাকারবারীরা চন্দন কাঠ মজুত করে রেখেছে সেখানে কাঠ দেখে দরদাম করে খাবারের গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রশাসনিক সিকিউরিটি তাদের গাড়িগুলি কোন প্রকার তদারক করতে দেখা যায় না। এ ব্যপারে বড়পুকুরিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শ্রী তপন দাস গুপ্তার সাথে গতকাল শুক্রবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির জিএমকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে এবং তিনি দোভাষীদের মাধ্যমে চীনাদেরকে বলেছেন অবৈধভাবে কোন চন্দন কাঠ খনির ভিতরে চীনাদের কাছে সরবরাহ করা যাবে না।