মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর২৪.কম) প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ও তার নিজ তহবিল হইতে খনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ ভূমিহীনদের জন্য মাইনিং সিটি বা পূর্ণবাসনের পরিবর্তে আশ্রয়ন প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। বড়পুকুরিয়া কয়ল খনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ ভূমিহীনদের পূর্ণবাসনের নামে তাদেরকে একপ্রকার উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র করেছিলেন খনি মন্ত্রনালয়।  সমঝোতা মোতাবেক ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার প্রতিটি পরিবার হতে এক (০১) জন করে চাকুরী প্রদান করার কথা ছিল। বর্তমানে তা না করে বহিরাগতদের অর্থের বিনিময়ে চাকুরী প্রধান করা হচ্ছে। আর্ন্তজাতিক মানের অবকাঠামোর মূল্য এবং জমির মূল্য একর প্রতি ৩৫/৪৫ লক্ষ টাকা হিসেবে ৩২৪ কোটি টাকা প্রদানের কথা থাকলেও বাস্তবে একনেকে পাস করে জমির মূল্য ২০/২৫ লক্ষ টাকা একর হিসেবে ১৯০ কোটি টাকা প্রদান করেছিলেন। তাছাড়া হামিদপুর ইউপির মুল রাস্তা ফুলবাড়ী থেকে খয়েরপুকুর পর্যন্ত এর অনেকাশ খনি এলাকায় যা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। খনি কর্তৃপক্ষের বাইপাস রাস্তা করে দেওয়ার কথা থাকলেও গত ৫ বছরে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নাই। বর্তমান আশ্রয়ন প্রকল্প অসম্পূর্ণ যেমন-পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা নেই, রাস্তা নেই, সুপেয় পানির অভাব, বিদ্যুৎ অভাব, মসজিদ, কবর স্থান হাট-বাজার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা নেই। এই এলাকার সাবেক মন্ত্রী এলাকার মানুষকে যে উন্নয়নের প্রতি¯্রতি দিয়েছিলেন তা অদোও বাস্তবায়ন হয়নি। ক্ষতিগ্রস্থরা এখন এলাকায় কেঁদে বুক ভিজাচ্ছেন। কে দেবে এদেরকে সান্তনা? যারা আন্দোলনে এলাকার মানুষকে নিয়ে খেলছিলেন এখন তারা কোথায়? এখন তারা গা ঢাকা দিয়ে কয়লা খনি এলাকায় কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ নিয়ে বড় বড় স্থাপনা ও ব্যবসা নিয়ে মেতে উঠেছেন। যাদের কৃষি জমি, বসত ভিটা, কবর স্থান, মসজিদ ও অন্যান্য স্থাপনা ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন তাদের অনেকের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না। দেশের উন্নয়ের স্বার্থে অত্র এলাকার মানুষ স্থাবর, অস্থাবর সহায় সম্পতি সবকিছু সরকারের নিকট দিয়ে তার বিনিময়ে তারা আজ অসহায় জীবন যাপন করছে। বর্তমান খনি কর্তৃপক্ষ উত্তর দিকে যতসামান্য করে জমি ক্রয় করছে। যাতে ঐ এলাকার লোকজন আন্দোলন করতে না পারে। উত্তর দিকে নতুন খনন শুরু করে কয়লা উত্তোলন করতে না পারলে ভবিষতে তাপবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে কয়লা আমদানি করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু রাখতে হবে।