(দিনাজপুর২৪.কম) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতি রোধে ১০দফা সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদে পাঠিয়েছে। আজ সোমবার দুদকের সচিব ড. মো: শামসুল আরেফিন সই করা চিঠি মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। এ তথ্য জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য নিশ্চিত করেছেন। চিঠিতে দুদক অনুসন্ধান টিমের সুপারিশ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, এবি ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের পূর্ববতী পনের বছরের অবলোপনকৃত ঋণের তালিকা ও অবলোপনকৃত ঋণের অবলোপন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা দুদকের সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধানকারী টিম ১০টি সুপারিশ তৈরি করে।
দুদকের সুপারিশগুলো হলো:
১. ব্যাংকিং রেগুলেশন এন্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট (বিআরপিডি) সার্কুলার ০২/২০০৩ এর নির্দেশ মোতাবেক অবলোপনকৃত ঋণ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সকল পরিচালককে খেলাপি হিসেবে ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোতে (সিআইবি) চিহ্নিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
২. মামলা ছাড়া কোনো ঋণ অবলোপন না করা।
৩. ঋণ অবলোপনের পূর্বে অবশ্যই এর কারণ সুনির্দিষ্টকরণ।
৪. ব্যবসায়ী ঋণের ফান্ড অন্যত্র হস্তান্তর করেছেন কি-না তা খতিয়ে দেখা।
৫. ঋণ সুপারিশ থেকে অবলোপন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট এর কোনো ত্রুটি/অনিয়ম আছে কি-না তা উল্লেখ করা,
৬. বিদ্যমান আইনি কাঠামোর আওতায় ঋণ আদায়ের সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ।
৭. ঋণ অবলোপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বোর্ডের অনুমোদনের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নেয়ার একটি বিধান প্রবর্তন করা।
৮. ঋণ অবলোপনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের আগের বছর পর্যন্ত লভ্যাংশ থেকে ১০০ শতাংশ Provision রাখার নিয়ম থাকলেও কোনো কোনো ব্যাংক চলতি বছরের লভ্যাংশ থেকে Provision করে থাকে যা বন্ধ করা।
৯. ঋণ অবলোপনের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধান মোতাবেক অর্থ ঋণের মামলা করতে হয়। অর্থ ঋণের মামলায় রায় পাওয়ার পর ব্যাংক Execution case করে। অর্থাৎ, এক্ষেত্রে দুটি মামলা করতে হয়। একটি মূল মামলা অপরটি Execution মামলা। কিন্তু অনেক ব্যাংক মূল মামলা করার সাথে সাথেই ঋণ অবলোপন করে ফেলে।
এক্ষেত্রে, Execution মামলার পর ঋণ অবলোপনের বিষয়টি বিবেচনা করার বিধান তৈরি করা।
১০. প্রচলিত নিয়মে অনেক ক্ষেত্রে মামলা ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে ঋণ অবলোপন করা যায়।
এক্ষেত্রে, মামলা ছাড়া কিছুতেই কোনো ঋণ যেন অবলোপন করা না যায় সে রকম বিধান প্রণয়ন।
এক্ষেত্রে দুটি মামলা করতে হয়। একটি মূল মামলা অপরটি Execution মামলা। কিন্তু অনেক ব্যাংক মূল মামলা করার সাথে সাথেই ঋণ অবলোপন করে ফেলে।
এক্ষেত্রে, Execution মামলার পর ঋণ অবলোপনের বিষয়টি বিবেচনা করার বিধান তৈরি করা, প্রচলিত নিয়মে অনেক ক্ষেত্রে মামলা ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে ঋণ অবলোপন করা যায়।
এক্ষেত্রে, মামলা ছাড়া কিছুতেই কোনো ঋণ যেন অবলোপন করা না যায় সে রকম বিধান প্রণয়ন করা। -ডেস্ক