সেলিম সোহাগ, পঞ্চগড় (দিনাজপুর২৪.কম) পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বোদা পাইলট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণীতে পড়–য়া ছাত্রী কামনা আক্তার কলিকে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক রাজু কর্তৃক শ্লীলতাহানীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিচার না পাওয়ায় আজ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ বেলা ১২.০০ ঘটিকায় বোদা উপজেলার শহীদ মিনার চত্তর করে মানববন্ধন করেছে বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও সুশীল সমাজ। মানববন্ধন বক্তব্য রাখেন শ্লীলতাহানীর স্বীকার ছাত্রীর বাবা মোঃ কায়েদি আজম ও তার দুঃখী মা সুমি আক্তার, তারেক বিল্লাহ্, চন্দন বাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মহসিন আলম। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বোদা পাইলট গার্লস্ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর অভিভাবকেরা তাদের মেয়েদের স্কুল পাঠাতে দ্বিধাদ্বন্ধের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। কারণ, শিক্ষক মানে জাতির মেরুদন্ড, তাদের হাতে আমাদের মেয়েরা পড়তে গিয়ে যদি শ্লীলতাহানীর স্বীকার হয়ে থাকে, তাহলে কিভাবে আমরা ঐ বিদ্যালয়ে মেয়েদের পড়তে পাঠাব। শুধু কামনা আক্তার কলি একাই শ্লীলতাহানী হয়নি। দুই বছর পূর্বে আরেক ৯ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রীকে ইন্দ্র নামে একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক শ্লীলতাহানী করেছে, এরও বিচার হয় নাই। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক রবিউল আলম সাবুলের কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন “আসলে প্রাইভেট ছাত্রীর পাশ দিয়ে হেটে গেলে আব্দুর রাজ্জাক রাজু গায়ে ধাক্কা লাগে, আসলে এটা কিছুই নয়, এটা বানোয়াট, মেয়েটির বাবা কায়েদি আজম জরিমানা নেওয়ার জন্য নানা ভাবে ষড়যন্ত্র করছেন।” মানববন্ধনে কামনা আক্তার কলির বাবা কায়েদি আজম জানান, “আজকের এই মানববন্ধন না করার জন্য রাত আনুমানিক ১.০০ ঘটিকার সময় আমার বাড়ীতে গিয়ে রাজুর অভিভাবক আমাকে ০৫ লক্ষ টাকা দিতে চেয়ে ছিল, কিন্তু আমি তাদের কাছে টাকা গ্রহণ করি নাই, আমি এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।” মানববন্ধনে বক্তারা দুশ্চরিত্রের শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক রাজু এর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী করেন।