SAMSUNG CAMERA PICTURES

মো. শাহেদুর রহমান (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার বর্ষা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের নির্দেশে অপর শিক্ষিকা মাস্তÍুরা বেগমের নির্মম ও পাষবিক নির্যাতনের শিকার প্রথম শ্রেনীর ছাত্র মানিক (৭) মারাত্মক রক্তাক্ত জখম হয়ে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রতিবাদে উত্তেজিত এলাকাবাসী গতকাল শিক্ষা অফিস ঘেরাও করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে ঐ শিক্ষিকাদ্বয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ এবং থানায় মামলা দায়ের করেছে বলে জানিয়েছেন আহত ছাত্রের পিতা আব্দুল মান্নান ও ছাত্রের চাচা ইউপি মেম্বার আবদুল হান্নান। তাদের বাড়ী স্কুলের অদূরে চেঙ্গাইক্ষেত্র গ্রামে। প্রত্যক্ষদর্শী কোমলমতি ছাত্র/ছাত্রী এবং অসংখ্য অভিভাবকেরা জানায় প্রথম শিফ্টের ক্লাশ চলাকালে শিক্ষিকা মাস্তুুরা বেগম ক্লাশে গিয়ে ছাত্র/ছাত্রীদের পাঠদানের সময় মানিক তার পড়া করতে পারছিল না ফলে ঘটনাটি প্রধান শিক্ষিকাকে জানিয়ে কর্মরত শিক্ষিকা তাকে চাপ সৃষ্টি করে এক পর্যায় তার গালে স্বজোরে চপেটাঘাত করে এতে মানিক নিজেকে রক্ষার জন্য মাথা সরিয়ে নিলে জানালার গ্রিলে লেগে ফেটে গেলে রক্তপাত হতে থাকে এবং প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হয়। । আহত মানিক চিৎকার করতে থাকলে অবস্থার বেগতিক দেখে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক তার মাথায় বেন্ডেস করে পরিস্থিতি নিয়তন্ত্রে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় এবং ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী ছুটে এসে মানিককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বীরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্ত্তি করায়। শিশুছাত্রকে বেদম প্রহার করায় ক্ষুব্ধ জনতা সংঘবদ্ধ হয়ে স্কুলের সকল শিক্ষক কর্মচারীকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। অতঃপর দুপুরে এলাকাবাসী শিক্ষা অফিস ঘেরাও করে ঐ শিক্ষিকাদ্বয়ের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক ২টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসেল মনজুরের সহ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ ব্যাপারে শিক্ষা অফিসার ক খ মোঃ আরাওল হাদি,সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের দায়িত্বে নিয়োজিত সহকারী শিক্ষা অফিসার মমতাজ ফেরদৌস,সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন প্রধান শিক্ষিকাই ঘটনার জন্য দায়ী এবং তিনি এতবড় একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে দম্ভের সাথে অভিভাবকদের সাথে বাকযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন,যা মোটেও কাম্য নয়,তাছাড়া ঐ প্রধান শিক্ষিকার অসদাচারণ ও দূর্ব্যবহারে ছাত্র/ছাত্রী এবং অভিভাবক সহ প্রতিবেশীরা অতিষ্ট। তিনি স্বেচ্ছাচারি ও দায়িত্বপালনে ব্যর্থ তার ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসেল মনজুর অভিযোগের কথা স্বীকার করে বলেন ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে,অফিসার ইনচার্জ জানান এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে এসআই জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি তদন্ত করছেন। তদন্ত শেষে এটি মামলা হিসেবে গন্য করা হবে।