লিটন রায় বীরগঞ্জ (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের সাদুল্যাপাড়া গ্রামের মোঃ আব্দুল সামাদ এর কন্যা প্রতিবন্ধি মোছাঃ সাজেদা বানু (১৮) গত ২৫/০৩/২০১৬ ইং তারিখ ধর্ষণের স্বীকার হয়। থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২৫/০৩/১৬ ইং তারিখ সন্ধা ৬ ঘটিকায় সামাদ তার বড় মেয়ের বাড়ি ঠাকুরগাঁয় দাওয়াত খেতে যায়। বাড়িতে থাকা লোকজন রাতের খাওয়া শেষ করে ঘুমাইতে যায়। উক্ত রাতে আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় অমৃত রায় (২৭), পিতা- সুরেন্দ্র নাথ রায় (কোকিল) ও মোঃ শাহানুর ইসলাম (২৬), পিতা- মোঃ ইছা মিয়া উভয়ের গ্রাম দক্ষিণ রঘুনাথপুর। তারা একটি চার্জার ভ্যান লইয়া মোঃ আব্দুল সামাদ এর বাড়ির দরজায় এসে হাজির হয়ে দরজায় ধাক্কা ধাক্কি করিলে মোছাঃ সাজেদা বানু দরজা খুলিয়া দিলে অমৃত রায় ও সাহানুর ইসলাম বাড়ির মধ্যে জোরপূর্বক ঢুকিয়া পরে। সাজেদা বানু দুজনকে চিনতে পেরে বলে বাবা বাড়িতে নেই এবং তারা চলে যায়। সাজেদা বানু প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে বাড়ীর ভিতরে টিউবওয়েল পাড়ে গেলে। সেই সুযোগে অমৃত রায় ও শাহানুর ইসলাম আবার বাড়ির ভিতর ঢুকে টিউবওয়েল পারে গিয়ে সাজেদাকে জরিয়ে ধরে এবং পরনের কাপড় ধরে টানাটানি করলে সাজেদা বানু চিৎকার করে। চিৎকার শুনতে পেয়ে বাড়িতে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী মোছাঃ সেলিনা বেগম শয়ন ঘর হইতে দৌড়াইয়া আসিয়া সাজেদার পড়নের জামা কাপড় টানা হেচরা দেখতে পেয়ে সাজেদাকে রক্ষা করার চেষ্টা করিলে অমৃত রায় ও শাহানুর ইসলাম ক্ষিপ্ত হইয়া সাজেদাকে ছাড়িয়া দিয়া সেলিনা বেগম কে মারপিট ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেলাফুলা জখম করে। এ অবস্থায় সেলিনা চিৎকার করিলে অমৃত রায় ও শাহানুর ইসলাম সেলিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চাপিয়া ধরে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে। এ সকল দেখিয়া সাজেদা বানু কান্না কাটি করিলে তার কান্না কাটি ও শোর চিৎকার শুনিয়া পাশের বাড়ির লোকজন মোঃ আতোয়ার রহমান, মোঃ জামিনুর রহমান, মোছাঃ বানু বেগম, মোঃ জাহেদুল ইসলাম দৌড়াইয়া আসিয়া অমৃত রায় ও শাহানুর ইসলামকে ধরার চেষ্টা করিলে তারা কৌশলে পালিয়ে যায়। কিন্তু লোকজন তাদের চার্জার ভ্যানটি আটক করে। এ ঘটনা ছরিয়া পড়িলে ২৬/০৩/১৬ ইং তারিখ রাত্রী আনুমানিক ৪ ঘটিকায় দিলীপ রায়, পিতা- সুরেন্দ্র নাথ রায় (কোকিল), রমজান আলী, পিতা-কাবেদ আলী নেংড়া, সামাদের বাড়িতে এসে জোরপূর্বক ভাবে চার্জার ভ্যানটি নিয়া চলিয়া যায়। ঘটনা শুনিয়া মেয়ের বাড়ি হতে আসিয়া পরের দিন এলাকা বাসি ও নিজের মেয়ে এবং বৌমার কথা বিস্তারি শুনে সামাদ উপায় না পেয়ে ২৯/০৩/২০১৬ ইং তারিখে বীরগঞ্জ থানায় ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন সংশোধিত/০৩ আইনের-৯(৪)(অ) তৎসহ দঃবিঃ ৩২৩/৩০৭ ধারা ধষনের চেষ্টা ও মারপিট করিয়া সাধারণ যখম ধারায় মামলা করেন। এ বিষয়ে বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেন।