মোঃ তোফাজ্জল হায়দার (দিনাজপুর২৪.কম) বীরগঞ্জে এক প্রতিবন্ধি ৭ মাসের  অন্তরসত্তা প্রতারনার শিকার হয়ে দিশেহারা নেপালির পরিবার বিচারের দাড়ে দাড়ে ঘুরছে। বীরগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের হরিবাসরপাড়ার বাসিন্দা পুন্য চন্দ্র রায়ের প্রতিবন্ধি মেয়ে নেপালি রানী রায় (১৯)’র সাথে একই গ্রামের বিরেন চন্দ্র রায়ের ছেলে রনি চন্দ্র রায় বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্কের এক পর্যায়ে দৈহিৃক সম্পর্ক স্থাপন করে। দৈহিৃক সম্পর্কের এক পর্যায়ে অন্তরসত্তা  হয় নেপালি রানী রায়। নেপালি বিবাহের প্রশ্ন তুলে আজকাল করে রনি কাল গপনের এক পর্যায় গর্ভের সন্তান গর্ভপাত করার জন্য চাপ দেয়। নেপালী গর্ভপাত করতে অস্বীকার করে বিবাহের জোরাল দাবি তোলে। অবশেষে রনি প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার করে প্রতারনার আশ্রয় নেয়। এবং চম্পা নামের অপর এক কলেজের মেয়ের সাথে নুতন করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। প্রতিবন্ধি নেপালির মা-চঞ্চলা রানী রায় রনি রায়ের বাবা-মা’র কাছে বিষয়টি জানায় এবং বিবাহের দাবি জানায় কিন্তু তারা দাবি প্রত্যাখান করে সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে।

নিরুপায় হয়ে চঞ্চলা রানী রায় পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বনমালি রায়ের কাছে বিচার প্রার্থনা করে। তিনি অনেক চেষ্টা করেও বিষয়টি সুরাহা করতে ব্যার্থ হয়। চঞ্চলা রানী রায় প্রতিবন্ধি মেয়ে নেপালি রানী রায়কে সাথে নিয়ে দিনাজপুর জেলা সদর জনতা ক্লিনিক ও র্নাসিং হোম সেন্টারের প্রসুতি ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ আয়শা সিদ্দিকার স্মরনাপন্ন হলে তিনি জানান ২৮ সপ্তাহ
(৭মাসের)  অন্তরসত্তা রয়েছে। প্রেমিক রনির তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে জানায় মেডিকেল টেষ্টে প্রমানিত হলে আমি দায়ভার গ্রহন করবো অন্যথায় আমি এর দায়- দায়িত্ব নিব না।
এ সংবাদ লেখা পর্যন্তত ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধনী/২০০৩) আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।