২০১৮ বিশ্বকাপ চূড়ান্ত পর্বের উদ্বোধনের বাকি আর মাত্র ৫ দিন। এবার বিশ্বকাপের ২১তম আসর হচ্ছে ৩২ দল নিয়ে। ১৪ জুন টুর্নামেন্টের পর্দা উঠবে। ৩১ দিনের এ আসর শেষ হবে ১৫ জুলাই। এখন থেকেই টানটান উত্তেজনা আর কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে পুরো রাশিয়া দেশটি। আর এ নিরাপত্তার দায়ীত্ব এখন ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (ফিফা) হতে তুলে দিয়েছে দেশটির সরকার। কারণ বিশ্বকাপ সফল সমাপ্তির দায়ীত্ব কেবল স্বাগতিক রাশিয়ারই নয়, তার দায় ফিফারও। খবরে জানা গেছে, আসন্ন বিশ্বকাপে মাঠে বা মাঠের বাইরে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য বা আকার-ইঙ্গিত এবার বরদাস্ত করা হবে না। এটা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনো। এ বিষয়টি প্রতিরোধে ফিফা এবার ভীষণ কড়া। এ রকম ঘটনা ঘটলে রেফারিদেরও মাঝপথে ম্যাচ থামিয়ে দেওয়ার অধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপ চলাকালীন রাশিয়ায় গুরুতর সমস্যা হয়ে উঠতে পারে এই বর্ণবিদ্বেষ। যে বিষয়ে এই দেশের কুখ্যাতি বিশ্বজোড়া। গত মাসে সেন্ট পিটার্সবার্গে এক ফ্রেন্ডলি ম্যাচে এক দল রুশ দর্শক কয়েক জন ফরাসি ফুটবলারের উদ্দেশে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করে। যার জেরে রাশিয়ার ফুটবল ইউনিয়নকে সাড়ে ৩৮ হাজার ডলার জরিমানা দিতে হয়। এই ঘটনার পরে ফুটবলবিশ্বে ঝড় ওঠে। এমনকি এই প্রশ্নও ওঠে যে, রাশিয়ায় বিশ্বকাপে বর্ণবিদ্বেষের আগুন জ্বলে উঠবে না তো? তবে বিশ্বকাপে এই ধরনের ঘটনা নির্মূলে কড়া ব্যবস্থা নিবে ফিফা, সেই আশ্বাস দিয়েছেন ইনফান্তিনো। তাঁর বক্তব্য, বর্ণবিদ্বেষ, মানবাধিকার বা নিরাপত্তা যা-ই বলুন, এ সব নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। এ সব আটকাতে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। -ডেস্ক