মোঃ আফজাল হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম) বিরামপুর পৌরসভার কাজে কোটি কোটি অনিয়ম দুর্নীতির তদন্ত শুরু করেছেন দুদক। দিনাজপুর জেলার বিরামপুর প্রথম শ্রেণীর সভার পৌর সুপার মার্কেট নিমার্ণ ও ইউনিয়ন পরিষদের বিল্ডিং, বিভিন্ন ড্রেনের ইট, আত্মসাৎ ছাড়াও পৌরসভার রাস্তাঘাট ড্রেন, কালভাট নিমার্ণে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এবং বিরামপুরের ঐতিহ্যবাহিহাট খাস কালেকশননের নামে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। সম্প্রতি বিরামপুর পৌর সুপার মার্কেট নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে সুশীল সমাজের পক্ষে সাংবাদিক আকরাম হোসেন বাদী হয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।
৩ কোটি ১১ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণ এর জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের দর পত্রটি বাতিল হলে ও মেয়র নিয়মনীতি উপেক্ষা করে নিজেই বাতিলকৃত দরপত্রটির কাজ নিজস্ব ঠিকাদারকে দিয়ে কাজ করায়ে অনিয়ম ও দূর্নীতি করেছে। একই ভাবে গত চার বছর পৌরসভার বিভিন্ন রাস্তা ঘাট ড্রন কালভাট নিমার্ণে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এবং সম্প্রতি বিরামপুর পৌরসভার অধিন ঐতিহ্যবাহি হাট যার প্রতি বছর ইজারা (ডাক) হয় প্রায় দুই কোটি টাকা মেয়র লিয়াকত হোসেন টুটুল চতুরতার আশ্রয় নিয়ে চলতি বাংলা ১৪২৬ সান প্রায় ১ বছর হলো খাস কালেকশনের নামে অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে। পৌরবাসী ভ্যাট ট্যাক্স দিলেও প্রথম শ্রেণীর নাগরিকগণ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পৌরবাসী রাস্তাঘাট ভাঙ্গা চুরা ময়লা আবর্জনা ভর্তি ড্রেন কালভাট মশার উপদ্রপ রাস্তার উপর ময়লা আবর্জনার ভাগার থাকায় চরম দুর্দশার মধ্যে রয়েছে। এসব অয়িম দর্নীতির তদন্ত শুরু কারেছে জেলা দুর্নীতিদমন কমিশনের তদন্ত দল।
গত কাল দুপুর ২টার দিকে দিনাজপুর জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক এহসানুল হক পলাশের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল বিরামপুর পৌরসভার আসে মেয়র লিয়াকত আলী সরকার টুটুল ছুটিতে বাহিরে থাকায় প্যানেল মেয়র মাহাবুবুর রহমান হান্না, এ্যাকাউডেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়জুল ইসলাম, সহকারি প্রকৌশলী সেলিম উদ্দিনকে এসব অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং বিভিন্ন রেজিষ্ট্রার খাতা পত্রের ফটোকপি ও ফাইল পত্রের ফটোকপি দুদকের কর্মকর্তা যাচাই বাচাই করে পরবর্তীতে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান।