মো. নুরুন্নবী বাবু (দিনাজপুর২৪.কম) খাঁনপুর পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে বিভিন্ন অনিয়ম স্বোচ্চারিতা ও রুগিদের সাথে র্দূব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।  বিরামপুর উপজেলার সবচেয়ে বেশি জনবসতি ও সংখ্যালঘু আদিবাসীর বসবাস রয়েছে। এদের অধিকাংশই নিম্ন আয়ের গরীব শ্রেণীর। খাঁন পুর ইউনিয়নের ১২টি মৌজার প্রায় ২৫ হাজার জনসাধারনের  সরকারী চিকিৎসা নেওয়ার জন্য একটি মাত্র পরিবার পরিকল্পনা ও মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র রয়েছে। ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যান্ত খারাপ  হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র হতে চিকিৎসা না নিয়ে ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা ও মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র হতে চিকিৎসা নিয়ে থাকে। স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একজন  মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ড (কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার) একজন ভিজিটর, একজন আয়া ও  একজন নৈশ্য প্রহরী কর্মরত আছেন। কিন্তু ইউনিয়নে  রোগীদের অভিযোগ, পরিবার কল্যাণ পরিদর্ষিকা (ভিজিটর) মিনুআরা ও আয়া সঠিক সময়ে অফিসে আসেনা এবং অফিসে আসার পর রোগীদের সাথে খারাপ আচরণ ও দূর্ব্যবহার করে।  এবং অফিস টাইম শেষ হওয়ার অনেক আগেয় কর্মস্থল ত্যাগকরে। এতে করে রোগীরা স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হয়।  মিনুআরা ২০০৫ সাল থেকে খানপুর পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র কর্মরত আছেন। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার আব্দুল মতিন জানান- ইতির্পূবে ভিজিটর (মিনুআরার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের উপপরিচালক পর্যায়ে তদন্ত হয়ে দোষি প্রমাণীত হয়েছে এবং তাকে সংশোধন হওয়ার জন্য লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মহসিনুর রহমান বাবু জানান, একাধিকবার ভিজিটরকে সতর্ক করে দেওয়ার পরেও সে তার কথা কর্ণপাত করেন নি। খানপুর ইউপির চেয়ারম্যান মো: ইয়াকুব আলী ইউপি মেম্বার জামাল উদ্দিন জানান, তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। মিনু আরা ভিজিটর রোগী , মা ও শিশুদের সাথে খারাপ আচরণ করায় এলাকাবাসি  চিকিৎসা নিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যায় না । ফলে  প্রায় স্বাস্থ্যকেন্দ্র তালা বন্ধ থাকে। তাই এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে মিনু আরার অন্যত্র বদলী ও তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহনের  জন্য ইউনিয়ন বাসী লিখিতভাবে দাবি জানায়।