আতিউর রহমান, বিরল (দিনাজপুর২৪.কম)  বিরলে মধ্যযুগীয় কায়দায় মা ছেলের উপর পাশবিক নির্যাতনের ঘটনা প্রভাবশালীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ভিন্ন খাতে প্রবাহের অপচেষ্টা করছে বলে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত মা বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে বাড়ী ফিরলেও প্রভাবশালীদের হুমকির মুখে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে। ঘটনার প্রায় ৮ দিন পর প্রভাবশালীদের পাল্টা অভিযোগ পেয়ে উল্টো ভিকটিমের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হওয়ায় পরিবারটি এখন পথে বসার উপক্রম। জানা গেছে, উপজেলার শহরগ্রাম ইউপি’র চাপাই গ্রামের নিরীহ রিক্সা ভ্যানচালক বিমল চন্দ্র রায়ের স্ত্রী  মিনতী রাণী রায় (৪৫)কে একই গ্রামের মৃত ধীরেন্দ্র নাথের প্রভাবশালী পুত্র প্রদীপ চন্দ্র, বিশ্বচন্দ্র রায় গং গত ২৬ আগস্ট/১৫ বুধবার বিকালে পূর্ব বিরোধের জের ধরে বাড়ীর ভেতর অনধিকার প্রবেশ করে মারপিট ও বিবস্ত্র করে মধ্যযুগীয় কায়দায় পাশবিক নির্যাতন করে হাতে থাকা শাখা ও গলায় থাকা তুলশীর মালা ছিড়ে ফেলে। আহতর আত্মচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে প্রকাশ্যে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি ও খুন জখম করে লাশ গুম করার হুমকি প্রদর্শন করে বীরদর্পে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। প্রতিবেশীরা মূমুর্ষূ অবস্থায় মিনতী রাণীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। মিনতি রানীর গালে, বুকে, পায়েসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। এর আগে ২৩ আগস্ট রোববার মিনতী রাণীর ৯ম শ্রেণী পড়–য়া পুত্র সনাতন চন্দ্রকে বাড়ীর নিকট রাস্তায় মারপিটে গুরুতর আহত করে প্রদীপ গংরা। ঘটনায় ওই রাতেই প্রদীপ, বিশ্ব চন্দ্র গংদের বিরুদ্ধে বিরল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে মিনতী রাণীর অপর পুত্র সুবল চন্দ্র। এদিকে ঘটনার প্রায় ৮ দিন পর বিরল থানার এসআই জাহাঙ্গীর অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে মিনতী রাণীর বিরুদ্ধে বানোয়াট অভিযোগ গ্রহণ করে মিনতী রাণীর পরিবারের সদস্যদের আসামী করে মামলা রেকর্ড করে। অথচ মিনতী রাণীর দায়েরকৃত অভিযোগের বিরুদ্ধে এসআই জাহাঙ্গীর কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রভাবশালী প্রদীপ ও বিশ্ব চন্দ্র গংদের অব্যাহত হুমকির কারণে মিনতী রাণী পরিবারসহ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে। মিনতী রাণী পরিবারের নিরাপত্তা ও নির্যাতনের ঘটনার বিচার চেয়ে মানবাধিকার সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। এ ব্যাপারে বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) সরেস চন্দ্র জানান, উভয় পক্ষে অভিযোগ দেয়া ছিল। একটি পক্ষে