বৃহস্পতিবার বিকালে থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমানে করে সিডনির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। ২৭ এপ্রিল সকালে তার সিডনি পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

সিডনির আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে (আইসিসি) শুক্রবার অনুষ্ঠেয় এক অনুষ্ঠানে ভিয়েতনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট থাই নগক থিন এবং কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট অ্যাতিফেত জাহজাগার সঙ্গে গ্লোবাল উইমেন’স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০১৮ গ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘গ্লোবাল সামিট অব উইমেন’ বাংলাদেশে নারী শিক্ষার প্রসার এবং নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালনের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে এই সম্মাননা দিচ্ছে।

গ্লোবাল উইমেন সামিট বিশ্বব্যাপী নারী নেতৃবৃন্দের ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক বিষয়াবলী সংক্রান্ত একটি বাৎসরিক সম্মেলন। এই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন এবং জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় নারীদের সম্পৃক্তকরণে তার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরবেন।

আগামী শনিবার (২৮ এপ্রিল) অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বলেও কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন এবং ২৮ এপ্রিল হোটেল সোফিটেল-এ একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

আগামী রবিবার (২৯ এপ্রিল) অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করে পরের দিন সোমবার প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যে আট দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে গত সোমবার (২৩ এপ্রিল)  দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ ও ১৬ এপ্রিল সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে গাল্ফ শিল্ড-১ শীর্ষক একটি যৌথ সামরিক মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দু’দিন সৌদি আরব সফর করেন। সফরের দ্বিতীয় পর্বে প্রধানমন্ত্রী কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের সম্মেলনে (সিএইচওজিএম) যোগ দিতে ১৬ এপ্রিল লন্ডন পৌঁছান। ১৯ এপ্রিল সিএইচওজিএম-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র দেওয়া আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনায় যোগদান করেন তিনি। সূত্র: বাসস।