(দিনাজপুর২৪.কম) বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার গবেষণা সেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে গত কাল ২২ মার্চ প্রথম দফায় অনুষ্ঠিত নির্বাচন – নিজস্ব পর্যবেক্ষক , স্থানীয় নেটওয়ার্ক এবং জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করে। সংস্থার পর্যবেক্ষণ ও সংগৃহীত তথ্য উপাত্ত অনুযায়ী, নির্বাচনী সহিংসতায়  নিহত  হয় ২১ জন।
নিহতদের মধ্যে ,বরিশালে ২ জন, ঝালকাঠি ১, পটুয়াখালী ২, পিরোজপুর ৬, কুমিল্লা ১, কক্সবাজার ৩, কিশোরগঞ্জে ১, নেত্রকোনা ১, যশোর ১, বগুড়া ১ ,পাবনা ১ ও সিরাজগঞ্জে ১ জন ।
এ সময় বিবদমান দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয় ১৫৩৬ জন। নির্বাচনী সহিংসতায় আহতদের মধ্যে, বরগুনায় ১৩৫ , বরিশাল ২০৪, ভোলা ১৮৫, ঝালকাঠি ১৬৯, পিরোজপুর ১২৪, কক্সবাজার ৮০, চট্ট্রগাম ৫, কুমিল্লা ৪৫,ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৪৭, লক্ষীপুর ২৭,নোয়াখালী ৫৫ , ফরিদপুর ৫০, গোপালগঞ্জে ১০, ময়মনসিংহ ১০, মুন্সিগঞ্জে ৭০, নেত্রকোনা ২৩,শেরপুর ৩৮,বাগেরহাট ১৩, যশোর ১৯ , খুলনা ৩, কুস্টিয়া ৪, সাতক্ষীরা ২৮, গাইবান্ধা ৬ , লালমনিরহাট ১৫, বগুড়া ৫,পাবনা ১৭ ও সিরাজগঞ্জে ৩০ জন রয়েছেন।

নির্বাচনী পূর্ব সহিংসতাঃ
নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতায় দেশের বিভিন্ন জেলায়  নিহত হয় ১০ জন ও আহত হয় ১০৪৮। প্রচারনা নিয়ে সংঘাত, দলীয় কোন্দল ,আধিপত্য বিস্তার, প্রতিপক্ষের হামলা প্রভৃতি কারনে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে ।

নির্বাচনী দিন ও পরবর্তী সহিংসতা ঃ
ভাংচুর,কেন্দ্র দখল, কারচুপি,বালট বক্স ছিনতাই ,দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে  সংঘর্ষ  ইত্যাদি কারনে নির্বাচনী দিন ও পরবর্তী সহিংসতায়  ১১ জন নিহত হয় ও আহত হয় ৪৮৮ জন ।তাদের মধ্যে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ৫, কক্স্রবাজারের টেকনাফে ২ ,ঝালকাঠি ১,পটুয়াখালী ১,সিরাজগঞ্জে ১ ও নেত্রকোনায় ১ জন নিহত হয়েছে। সবচেয়ে বেশী নিহত হয় পিরোজপুরে মোট ৬ জন ও আহত হয় বরিশালে ২০৪ জন। -প্রেসরিলিজ