(দিনাজপুর২৪.কম) ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে চট্টগ্রাম বিভাগ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, জিয়াউর রহমান শিক্ষাঙ্গনে নৈরাজ্য তৈরি করেছিলেন বলে মন্তব্য করেন।

এ সময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেভেন মা’র্ডারের পর শফিউল আলম প্রধানসহ আরও অনেকের শা’স্তি হয়েছিল। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর শফিউল আলম প্রধানকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে হ’ত্যাকা’ণ্ড হয়েছিল, অ’প’রাধীকে জিয়াউর রহমান ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। পরে তাদের অনেককে মুক্ত করে দিয়ে ছাত্রদল গঠন করেছেন জিয়াউর রহমান। আর বাংলাদেশের মেধাবী ছাত্রদের বানিয়েছিলেন স’ন্ত্রাসী। জিয়াউর রহমান, এরশাদ যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন শিক্ষাঙ্গনে নৈরাজ্য, সেশন জট স্বাভাবিক ঘটনা ছিল।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বুয়েটের ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটার পরপরই কেউ দাবি তোলার আগে যারা প্রাথমিকভাবে জ’ড়িত মনে হয়েছে, তাদের প্রায় সবাইকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। ছাত্রলীগ তাদের বহিষ্কার করেছে। বুয়েটে যখন সনি হ’ত্যাকা’ণ্ড ঘটে, বিএনপি কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন ছাত্রদের করুণ মৃ’ত্যু ঘটে, তখন কি বিএনপি ব্যবস্থা নিয়েছিল? নেয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়েছেন। যারা এসব ঘটনার সঙ্গে জ’ড়িত, তাদের যেন দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তি হয়, সেজন্য সরকার বদ্ধপরিকর।’

এ সময় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ’ভিযান চালানো হবে, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা তুলে ধরে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আম’রা জানি আমাদের দলে অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এই আবর্জনা পরিষ্কার করতে আম’রা বদ্ধপরিকর।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির কয়েকজন নেতা গত কয়েকদিন ধরে নানা বক্তব্য দিচ্ছেন। তাদের কারও কারও বক্তব্য শুনলে মনে হয় তারা বদ্ধ উন্মাদ। অ’তীতে একটু ফিরে তাকান, তারপর নিজের কাছে প্রশ্ন রাখেন। এরপর দয়া করে কথা বলেন।’

এ সময় আবরার হ’ত্যাকা’ণ্ড নিয়ে বিদেশি মিশনগুলোর উদ্বেগের সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আম’রা আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের ধন্যবাদ জানাই। তারা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের উন্নয়নে কাজ করছেন। এজন্য মা’র্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জা’পানসহ সব উন্নয়ন সহযোগীকে আম’রা ধন্যবাদ জানাই।’ -ডেস্ক