(দিনাজপুর২৪.কম) আগস্টেই টেস্ট খেলতে বাংলাদেশ সফরে আশার কথা ছিল নিউজিল্যান্ডের। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে স্থগিত হয়ে গেছে সেই সিরিজ। তবে নিউজিল্যান্ডের সামনের ঘরোয়া মৌসুমে বাংলাদেশকে আতিথ্য দেওয়ার খবরটি নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। শুধু বাংলাদেশই নয়, সেখানে সফরের ব্যাপারে কিউই বোর্ডকে নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজও।
ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএনএফসিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী ডেভিড হোয়াইট বলেন, আমরা পরিস্থিতির অসাধারণ উন্নতি করছি। মাত্রই ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে আলাপ হলো, তারা নিশ্চিত করেছে, পাকিস্তান নিশ্চিত করেছে। অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশও সফরের কথা নিশ্চিত করেছে। তাই এখানে ৩৭ দিনের একটা ক্রিকেট সূচি দেখতে পাচ্ছি।’
সিরিজগুলোতে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের মতোই জীবাণু সুরক্ষিত মডেল অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ওয়েলস। ‘বায়ো সিকিউর’ মডেল অনুসরণ করেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট ও তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি খেলছে ইংল্যান্ড।

হোয়াইট আরও জানান, আসছে সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ান নারী দলকে আমন্ত্রণ জানাবেন তারা। ফের্রুয়ারিতে স্থগিত হয়ে যাওয়া সিরিজটির বদল হিসেবে এই সময়ে প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে মুখোমুখি হবে কিউই নারীরা। এই হোম সিরিজে পাঁচটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে নিউজিল্যান্ডে বর্তমানে বাইরের দেশ থেকে যেকেউ আসলেই তাকে ১৪ দিনের জন্য আইসোলেশনে রাখা বাধ্যতামূলক। এই সিদ্ধান্ত করোনা সংক্রমণ রোধে খুবই কার্যকরী বলে জানালেন হোয়াইট।
বর্তমান ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম অনুযায়ী, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার কথা রয়েছে নিউজিল্যান্ডের। এর মধ্যে টেস্ট সিরিজগুলো বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা শেষে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার কথা নিউজিল্যান্ডের। আর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলার কথা শুধু টি-টোয়েন্টি সিরিজ। -ডেস্ক