(দিনাজপুর২৪.কম) বাংলাদেশী এক নারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ভারতের মাদ্রাজ হাই কোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ। এ জন্য তাকে দেশে ফিরে যাওয়ার ভিসা (এক্সিট ভিসা) দিতে কন্যাকুমারী জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছে। বলা হয়েছে, ভাগ্যবঞ্চিত ওই নারী পাচারের শিকার হয়েছিলেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেকান ক্রনিকল। এতে বলা হয়, শুক্রবার বিচারক আর সুবিয়াহ এবং জে নিশা বানুর বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানিতে অংশ নেন। তারা এ সময় পুলিশকে নির্দেশ দেন বাংলাদেশী ওই নারীর কাছ থেকে জব্দ করা ২৪ হাজার রুপি, একটি মোবাইল ফোন ও সিলভারের নূপুর ফেরত দিতে। একই সঙ্গে ওই নারীকে বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট-১ এর অধীনে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশী ওই নারীর পক্ষে আইনী লড়াই করেন টি লাজপতি রয়। তিনি আদালতের কাছে আর্তি জানান, তাকে দেশে ফেরত যেতে হলে এক্সিট ভিসা করতে হবে। এ জন্য কমপক্ষে ৭৮৮০ রুপি প্রয়োজন হবে তার। ফলে তার কাছ থেকে পুলিশ যে অর্থ জব্দ করেছে তার থেকে যেন তাকে পর্যাপ্ত অর্থ ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করে আদালত। আইনজীবী আরও যুক্তি তুলে ধরে বলেন, ওই নারীকে পাচার করা হয়েছে। কিন্তু তার পরিবর্তে পুলিশ তাকে হোটেল থেকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে। এ অভিযোগে তাকে গত বছর ২৪শে জুলাই বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে ঘটনার শিকার বলে আখ্যায়িত করে। একই সঙ্গে ওই আদালত তাকে এনজিও পরিচালিত কোনো আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠিয়ে দিতে নির্দেশনা দেয় পুলিশকে। তার আইনজীবী আদালতে বলেন, যখন তার মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তখন তার ভিসার মেয়াদ ছিল। অন্যদিকে আটক ওই নারী প্রথমদিকে দাবি করেছিলেন যে, তিনি ব্যাঙ্গালুরুর অধিবাসী। এক পর্যায়ে তার পিতা শামসুল শেখ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের একটি আবেদন জমা দেন। তা থেকেই পুলিশ জানতে পারে যে, ওই নারীর বাড়ি বাংলাদেশে। তার প্রকৃত নামও তারা জানতে পারে। এ অবস্থায় কন্যাকুমারির এসপি চেন্নাইয়ের আঞ্চলিক অভিবাসন নিবন্ধন বিষয়ক বৈদেশিক শাখায় যোগাযোগ করেন। -ডেস্ক