মো: আফজাল হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম) বাংলাদেশের একমাত্র উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা উত্তোলন ৩মাস বন্ধ থাকার পর আগামী সোমবার থেকে পূনরায় কয়লা উত্তোলন শুরু হচ্ছে। বর্তমান বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভূ-গর্ভস্থ ১৩১৪ নং কোল ফেইস থেকে পরীক্ষামূলক ভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করা হ্েচ্ছ। এর আগে গত ১৫ জুন কয়লা খনির উৎপাদনশীল ১২১০ নং কোল ফেইস এর উৎপাদন যোগ্য কয়লার মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১৬ জুন থেকে খনির কয়লা উত্তোলন পুরোদমে বন্ধ হয়ে যায়। ঐ মাসেই খনির কোলইয়াড ও ৫২৫ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লার মজুদ শেষ হয়ে আসে। কয়লা অভাবে গত ২২ জুলাই বড়পুকুরিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোদমে বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে গোটা উত্তর অঞ্চলের ১৬টি জেলায় বিদ্যুতের চরম বিপর্য্যয় ঘটে এবং বিদ্যুতের ভয়াবহ লোভোল্টেজ ও লোটর্শেটিং সমস্যা প্রকোট হয়ে ওঠে। অপরদিকে বড়পুুকুরিয়ার কয়লা মজুদের হিসাব গড়মিল ও ১লক্ষ ৪৪ হাজার ৬শত ৪৪ মেট্রিক টন কয়লা ঘাটতির ঘটনা ঘটে। এমন পরিস্থিতে খনির চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠিন, খনি কর্তপক্ষ ও খনি শ্রমিকদের প্রচেষ্টায় আগামী ১০ সেপ্টেম্বর বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ১৩১৪ নং ফেইস থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হতে যাচ্ছে। তবে খনি শ্রমিকের নেতা রবিউল ইসলাম রবি জানান ১০তারিখে আগেই পরীক্ষা মূলক ভবে গতকাল ৮ সেপ্টেম্বর কয়লা উত্তোলন শুরুর কথা রয়েছে।
গত ৫ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেল ৪টায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ফজুলুর রহমান জানান, নিদ্ধারিত সময়ের মধ্যে বড়পুকুরিয়ার ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হবে। কয়লা উত্তোলন শুরুর পরেই আশা করবো তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পূর্বের ন্যায় কয়লা সরবরাহ করা যাবে। এতে পূর্বের ন্যায় খনি এলাকায় আবার প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে আসবে। তবে তিনি জানান, সবাই সহযোগীতা করলে দেশের এই বৃহৎ কয়লা খনিটি আগামীতে আরো লাভজনক প্রতিষ্ঠানে উন্নিত হবে।