ছবি-সংগ্রহীত

(দিনাজপুর২৪.কম) বঙ্গবন্ধু সেতুতে একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুন নেভাতে আসা ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি টোলের টাকা না দেয়ায় সেতু কর্তৃপক্ষ সেটি আটকে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকালে এই ঘটনা ঘটে।

সেতু কর্তৃপক্ষ গাড়ি আটকে দেওয়ায় আগুন না নিভিয়েই ফিরে আসতে বাধ্য হন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তবে বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সেতু কর্তৃপক্ষের দাবি, কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারি বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহি বাসে আগুন লেগেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম আগুন নেভানোর জন্য বঙ্গবন্ধু সেতুতে পৌঁছালে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির জন্য টোল দাবি করে সেতু কর্তৃপক্ষের লোকজন”।

“পরবর্তীতে সরকারি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির জন্য কেন টোল দেয়া লাগবে জিজ্ঞেস করলে এক পর্যায়ে তাদের সাথে আমাদের কথা কাটাকাটি হয়”, যোগ করেন তিনি।

পরবর্তীতে আগুন নেভানোর জন্য আসা ফায়ার সার্ভিসের গাড়িটিকে আটকে দেয় সেতু কর্তৃপক্ষ। এরপর বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আগুন না নিভিয়েই ফেরত আসে ফায়ার সার্ভিসের দলটি।

ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, “বাংলাদেশের এমন কোন স্থান নেই যেখানে সরকারি জরুরি গাড়িতে টোল লাগে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেতুতে সরকারি জরুরি সেবা গাড়িগুলোর জন্যও টোল দিতে হয়”।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ওসি মোশারফ হোসেন ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “বিষয়টি আমি জানান পর বঙ্গবন্ধুসেতু কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করি। সেখান থেকে আমাকে জানানো হয় সেতুতে স্থাপিত ক্যামেরার মধ্যে কোথাও সেতুর উপর আগুন ধরার ঘটনা দেখতে পাওয়া যায়নি। তাই তাদেরকে টোল না দেওয়ার কারণে যেতে দেওয়া হয়নি।” -ডেস্ক