(দিনাজপুর২৪.কম) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মোঃ রুহুল আমিন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু এক ক্ষণজন্মা পুরুষ। তিনি জাতিকে স্বপ্ন দেখাতে পারতেন এবং জাতিকে জাগ্রত করে মুক্তির স্বাদ দিতে পারতেন। তিনি শুধুমাত্র হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী নন, আগামী ১ হাজার বছরেও তার মত শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী আর একজনও আসবে কিনা সন্দেহ আছে।
বঙ্গবন্ধু পরিষদ, দিনাজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমী কার্যালয়ে শনিবার রাতে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় প্রফেসর মোঃ রুহুল আমিন প্রধান অতিথি ছিলেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার মধ্য দিয়ে জাতির যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা কখনই পূরণ হবার নয়। আজ তিনি বেঁচে থাকলে জাতির অগ্রগতি ত্বরান্বিত হতো।
বঙ্গবন্ধু পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ ছফর আলীর সভাপতিত্বে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আলোচনা করেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ড. আনিস খান, পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডাঃ আহাদ আলী, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মিলি চৌধুরী, জেলা নাগরিক উদ্যোগের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আরা জ্যোৎস্না, জেলা কালচারাল অফিসার আসফ-উদ-দৌলা, ওর্য়ার্কার্স পার্টির রবিউল আউয়াল খোকা, আওয়ামীলীগ নেতা আলতাফুজ্জামান মিতা, সাহিত্য কর্মী রবিউল হোসেন, জাসদ নেতা মোঃ শহিদুল ইসলাম শহিদুল্লাহ, সাংস্কৃতিক কর্মী নূরুল মতিন সৈকত, সাংস্কৃতিক কর্মী নিজাম উদ্দিন রয়েল, বোচাগঞ্জের মাহবুবুল আলম, নুর ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ সফিকুল ইসলাম। সভায় আলোচকগণ তাদের বক্তব্যে অভিমত ব্যক্ত করেন যে, বঙ্গবন্ধু হত্যা এবং ২১শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা। যাঁরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে তারা শেখ হাসিনাকেও হত্যা করতে চেয়েছিল। এর মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে পাকিস্তানী ধারায় জঙ্গীবাদী, মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করা। বক্তাগণ যে কোন মূল্যে জঙ্গীবাদ মোকাবেলা করার জন্য সরকারের প্রতি কঠোর ভূমিকা গ্রহণের আহ্বান জানান। -আজহারুল আজাদ জুয়েল