(দিনাজপুর২৪.কম) কুষ্টিয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ও ধর্মীয় উম্মাদনা সৃষ্টিকারী উগ্র সাম্প্রদায়িক স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে জাতীয় শ্রমিক লীগ দিনাজপুর জেলা শাখা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
৬ ডিসেম্বর রোববার দিনাজপুর শহরের সিএসডি খাদ্য গুদাম সংলগ্ন জাতীয় শ্রমিক লীগ জেলা শাখার কার্যালয় থেকে কুষ্টিয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ও ধর্মীয় উম্মাদনা সৃষ্টিকারী উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তি স্বাধীনতা বিরোধী পাকিস্তানী প্রেতাত্মাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে জাতীয় শ্রমিক লীগ দিনাজপুর জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন বলেন, আমরা সবাই জানি ভাস্কর্য একটি জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অন্যতম স্মারক। হাজার বছরের লড়াই-সংগ্রামের বীরত্বগাঁথা এবং শ্রেষ্ঠ মনীষীদের অবদানকে নতুন প্রজন্মের পরম্পরায় জীবন্ত করে রাখা। এই ভাস্কর্য নির্মাণের সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক বা বিরোধ নেই। হাজার বছরের মুসলিম সভ্যতার দিকে যদি আমরা তাকাই তাহলে দেখব বিশ্বের অনেক ইসলামি দেশগুলোতে সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনের মধ্যে ভাস্কর্য অন্যতম প্রধান হিসেবে স্থান করে আছে। ধর্মের অপব্যখ্যা দিয়ে যারা ভাস্কর্যকে ইসলামবিরোধী বলে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন-তারা কি অপরাপর ইসলামিক দেশগুলোর দিকে একবার তাকিয়ে দেখেছেন?
তিনি কুষ্টিয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাংচুরকারীদের ও ধর্মীয় উম্মাদনা সৃষ্টিকারী উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তি স্বাধীনতা বিরোধী পাকিস্তানী প্রেতাত্মাদের কঠোর হস্তে দমনসহ অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি নূর ইসলাম, শামীম আক্তার, খলিলুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর মান্নান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সহরাব হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মঞ্জুরুল হাসান সানু, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, আইন ও দর কাষাকষি বিষয়ক সম্পাদক শীব প্রসাদ দাস, শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক শংকর দাস, সহ-সম্পাদক মোকাররম হোসেন হিটলার প্রমুখ।