(দিনাজপুর২৪.কম) বগুড়ার ধুনটে জমিজমা বিরোধের জের ধরে মোবাইলফোনে ডেকে নিয়ে আব্দুস সবুর (৩৬) নামে এক পল্লী চিকিৎসককে কুপিয়ে ও হাত-পায়ের রগ কেটে হত্যা করেছে কামরুল ইসলাম নামে এক মাদক ব্যবসায়ী বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ও তার লোকজন। আজ বুধবার দুপুর ২টায় উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের পশ্চিম নান্দিয়ারপাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুস সবুর ধুনট উপজেলা যুবলীগের সদস্য ও নান্দিয়ারপাড়া এলাকার রহিম বকসের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পল্লী চিকিৎসক আব্দুস সবুরের সাথে জমিজমা নিয়ে উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের নান্দিয়ারপাড়া এলাকার জনাব আলীর ছেলে নিমগাছী ইউনিয়ন যুবলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইমলামের বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার দুপুরে কামরুল ইসলাম বিরোধ আপসের কথা বলে মোবাইলফোনে আব্দুস সবুরকে ডেকে নিয়ে পশ্চিম নান্দিয়ারপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে যান। পরে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে যুবলীগ নেতা কামরুল ইসলাম (৩৮), একই গ্রামের সামস উদ্দিনের ছেলে সবুজ মিয়া (৩৪), শফিকুল ইসলামের ছেলে সাগর মিয়া (১৮) ও সুরুজ মিয়ার ছেলে বিপুল হোসেন (২৮)সহ আরো ৪/৫জন অতর্কিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও হাত-পায়ের রগ কেটে সবুরকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে যায়।

পরে স্থানীয়রা থানায় খরব দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নেয়। থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ধুনট উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শেখ মতিউর রহমান জানান, প্রায় ১০ মাস আগে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ায় নিমগাছী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে কামরুল ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি উপজেলা যুবলীগের সদস্য ও পল্লী চিকিৎসক আব্দুস সবুরকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনায় আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

ধুনট থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, লাশের শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।-ডেস্ক